ঢাকা দক্ষিণ যুবদলের সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম নয়ন জামায়াত-শিবিরকে একটি উগ্রবাদী সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, যুবদল পূর্ণ শক্তিতে রাজপথে নামলে জামায়াত-শিবিরের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। শুক্রবার রাতে মাগুরার শালিখা উপজেলার কাঁঠালবাড়িয়া ভিটারপাড়ায় আয়োজিত এক ধর্মীয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন। তার মতে, সন্ত্রাসীরা যখন নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে, তখনই সাধারণ মানুষ তাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামতে বাধ্য হয়।
নয়ন অভিযোগ করেন, জামায়াত-শিবির দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের ওপর সহিংসতা ও নির্যাতনের পুরোনো পথ বেছে নিতে চাইছে। তিনি আরও দাবি করেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জানমাল ও ঘরবাড়ি দখলের একটি অশুভ তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তার ভাষ্যমতে, ১৯৭১ সালে রাজাকাররা যেভাবে সাধারণ মানুষের ওপর জুলুম-নিপীড়ন চালিয়েছিল, বর্তমানেও সেই একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।
বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে কিছু বাড়তি সুযোগ-সুবিধা পেয়ে জামায়াত নিজেদের অনেক প্রভাবশালী ভাবতে শুরু করেছে। তিনি জানান, বর্তমানে ছাত্রদল তাদের এসব কর্মকাণ্ড সীমিত পরিসরে প্রতিহত করার চেষ্টা করলেও যুবদল এখনো পুরোপুরি মাঠে নামেনি। রবিউল ইসলাম নয়ন স্পষ্ট করে বলেন, যুবদল যখন আনুষ্ঠানিকভাবে রাজপথে অবস্থান নেবে, তখন এই সংগঠনগুলোর পালানোর পথ থাকবে না। দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুবদল যেকোনো ধরনের উগ্রবাদ মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি তার বক্তব্যে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা দক্ষিণ যুবদলের সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম নয়ন জামায়াত-শিবিরকে একটি উগ্রবাদী সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, যুবদল পূর্ণ শক্তিতে রাজপথে নামলে জামায়াত-শিবিরের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। শুক্রবার রাতে মাগুরার শালিখা উপজেলার কাঁঠালবাড়িয়া ভিটারপাড়ায় আয়োজিত এক ধর্মীয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন। তার মতে, সন্ত্রাসীরা যখন নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে, তখনই সাধারণ মানুষ তাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামতে বাধ্য হয়।
নয়ন অভিযোগ করেন, জামায়াত-শিবির দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের ওপর সহিংসতা ও নির্যাতনের পুরোনো পথ বেছে নিতে চাইছে। তিনি আরও দাবি করেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জানমাল ও ঘরবাড়ি দখলের একটি অশুভ তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তার ভাষ্যমতে, ১৯৭১ সালে রাজাকাররা যেভাবে সাধারণ মানুষের ওপর জুলুম-নিপীড়ন চালিয়েছিল, বর্তমানেও সেই একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।
বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে কিছু বাড়তি সুযোগ-সুবিধা পেয়ে জামায়াত নিজেদের অনেক প্রভাবশালী ভাবতে শুরু করেছে। তিনি জানান, বর্তমানে ছাত্রদল তাদের এসব কর্মকাণ্ড সীমিত পরিসরে প্রতিহত করার চেষ্টা করলেও যুবদল এখনো পুরোপুরি মাঠে নামেনি। রবিউল ইসলাম নয়ন স্পষ্ট করে বলেন, যুবদল যখন আনুষ্ঠানিকভাবে রাজপথে অবস্থান নেবে, তখন এই সংগঠনগুলোর পালানোর পথ থাকবে না। দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুবদল যেকোনো ধরনের উগ্রবাদ মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি তার বক্তব্যে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন