যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল লিমনের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় তার রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়েহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দীর্ঘ নাটকীয়তার পর তাকে হেফাজতে নেওয়া হলেও নিখোঁজ অন্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টির সন্ধান এখনো মেলেনি। এফবিআই-এর সাবেক এক কর্মকর্তার মতে, কোনো পূর্বপরিকল্পনা নয়, বরং ‘আকস্মিক রাগ বা উত্তেজনা’ থেকেই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে।
হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের দপ্তর জানিয়েছে, গত শুক্রবার সকালে হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড সেতুর কাছ থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে লেক ফরেস্ট এলাকায় একটি সহিংসতার খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে অভিযানে গেলে অভিযুক্ত আবুগারবিয়েহ ঘরের ভেতর থেকে বের হতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে সোয়াট (SWAT) টিমের উপস্থিতিতে দীর্ঘ নাটকীয় পরিস্থিতির পর সে আত্মসমর্পণ করে।
তদন্তে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত আবুগারবিয়েহর অপরাধের ইতিহাস বেশ দীর্ঘ। ২০২৩ ও ২০২৫ সালে তার বিরুদ্ধে চুরি, মারধর এবং ঘরোয়া সহিংসতার একাধিক মামলা ছিল। নিহত জামিল লিমন ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ডক্টরাল শিক্ষার্থী। অন্যদিকে, নিখোঁজ নাহিদা বৃষ্টি রাসায়নিক প্রকৌশল বিভাগে পড়তেন। বর্তমানে বৃষ্টির খোঁজে সেতুর সংলগ্ন জলাশয়ে বিশেষ ডাইভ দল তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।
এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে এফবিআই-এর সাবেক বিশেষ এজেন্ট ড. ব্রায়ানা ফক্স জানান, আলামতগুলো বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা দেখে মনে হচ্ছে এটি কোনো পরিকল্পিত খুন ছিল না। বরং পরিচিত ব্যক্তিদের মধ্যে অর্থ, ঈর্ষা বা ছোটখাটো কোনো ঝগড়া থেকে হঠাৎ রাগের মাথায় এমন ভয়াবহ সহিংসতার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। শেরিফ চ্যাড ক্রোনিস্টার এই ঘটনাকে অত্যন্ত ‘হৃদয়বিদারক’ আখ্যা দিয়ে অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নিশ্চয়তা দিয়েছেন।
তথ্যসূত্র: ফক্স ১৩

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল লিমনের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় তার রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়েহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দীর্ঘ নাটকীয়তার পর তাকে হেফাজতে নেওয়া হলেও নিখোঁজ অন্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টির সন্ধান এখনো মেলেনি। এফবিআই-এর সাবেক এক কর্মকর্তার মতে, কোনো পূর্বপরিকল্পনা নয়, বরং ‘আকস্মিক রাগ বা উত্তেজনা’ থেকেই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে।
হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের দপ্তর জানিয়েছে, গত শুক্রবার সকালে হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড সেতুর কাছ থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে লেক ফরেস্ট এলাকায় একটি সহিংসতার খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে অভিযানে গেলে অভিযুক্ত আবুগারবিয়েহ ঘরের ভেতর থেকে বের হতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে সোয়াট (SWAT) টিমের উপস্থিতিতে দীর্ঘ নাটকীয় পরিস্থিতির পর সে আত্মসমর্পণ করে।
তদন্তে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত আবুগারবিয়েহর অপরাধের ইতিহাস বেশ দীর্ঘ। ২০২৩ ও ২০২৫ সালে তার বিরুদ্ধে চুরি, মারধর এবং ঘরোয়া সহিংসতার একাধিক মামলা ছিল। নিহত জামিল লিমন ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ডক্টরাল শিক্ষার্থী। অন্যদিকে, নিখোঁজ নাহিদা বৃষ্টি রাসায়নিক প্রকৌশল বিভাগে পড়তেন। বর্তমানে বৃষ্টির খোঁজে সেতুর সংলগ্ন জলাশয়ে বিশেষ ডাইভ দল তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।
এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে এফবিআই-এর সাবেক বিশেষ এজেন্ট ড. ব্রায়ানা ফক্স জানান, আলামতগুলো বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা দেখে মনে হচ্ছে এটি কোনো পরিকল্পিত খুন ছিল না। বরং পরিচিত ব্যক্তিদের মধ্যে অর্থ, ঈর্ষা বা ছোটখাটো কোনো ঝগড়া থেকে হঠাৎ রাগের মাথায় এমন ভয়াবহ সহিংসতার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। শেরিফ চ্যাড ক্রোনিস্টার এই ঘটনাকে অত্যন্ত ‘হৃদয়বিদারক’ আখ্যা দিয়ে অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নিশ্চয়তা দিয়েছেন।
তথ্যসূত্র: ফক্স ১৩

আপনার মতামত লিখুন