দিকপাল

ঢাবি শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু: চিরকুটে যা লেখা ছিল, জিজ্ঞাসাবাদের মুখে শিক্ষক


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ | ০২:৩৬ এ এম | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

ঢাবি শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু: চিরকুটে যা লেখা ছিল, জিজ্ঞাসাবাদের মুখে শিক্ষক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। বাড্ডার নিজ বাসা থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের পর সেখান থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের একজন শিক্ষক ও মিমোর এক ঘনিষ্ঠ সহপাঠীকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

নিহত মিমো ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধারকৃত চিরকুটে সুদীপ নামক একজন শিক্ষককে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পরিশোধ এবং তার দেওয়া উপহারগুলো ফেরত দেওয়ার বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে। এ ছাড়া 'হানি' নামের একজনের উদ্দেশ্যেও শেষ বার্তা রেখে গেছেন তিনি।

গুলশান জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) জুয়েল জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। চিরকুটে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও এক বন্ধুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে। তদন্তে আত্মহত্যার প্ররোচনা বা অন্য কোনো অপরাধমূলক সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিভাগের চেয়ারম্যান কাজী তামান্না হক সিগমা এই ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক আখ্যা দিয়ে জানান, মিমোর মোবাইল ফোনের কিছু তথ্য ও পারিপার্শ্বিক আলামত বিশ্লেষণের পর একজন শিক্ষকের সঙ্গে তার বিশেষ কোনো জটিলতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। পুলিশ বর্তমানে এই তথ্যের সত্যতা যাচাই করছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তথ্যসূত্র: ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (গুলশান জোন) ও ঢাবি সংশ্লিষ্ট বিভাগ।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬


ঢাবি শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু: চিরকুটে যা লেখা ছিল, জিজ্ঞাসাবাদের মুখে শিক্ষক

প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। বাড্ডার নিজ বাসা থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের পর সেখান থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের একজন শিক্ষক ও মিমোর এক ঘনিষ্ঠ সহপাঠীকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

নিহত মিমো ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধারকৃত চিরকুটে সুদীপ নামক একজন শিক্ষককে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পরিশোধ এবং তার দেওয়া উপহারগুলো ফেরত দেওয়ার বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে। এ ছাড়া 'হানি' নামের একজনের উদ্দেশ্যেও শেষ বার্তা রেখে গেছেন তিনি।

গুলশান জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) জুয়েল জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। চিরকুটে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও এক বন্ধুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে। তদন্তে আত্মহত্যার প্ররোচনা বা অন্য কোনো অপরাধমূলক সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিভাগের চেয়ারম্যান কাজী তামান্না হক সিগমা এই ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক আখ্যা দিয়ে জানান, মিমোর মোবাইল ফোনের কিছু তথ্য ও পারিপার্শ্বিক আলামত বিশ্লেষণের পর একজন শিক্ষকের সঙ্গে তার বিশেষ কোনো জটিলতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। পুলিশ বর্তমানে এই তথ্যের সত্যতা যাচাই করছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তথ্যসূত্র: ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (গুলশান জোন) ও ঢাবি সংশ্লিষ্ট বিভাগ।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল