সক্রিয় দক্ষিণী বায়ু এবং বায়ুমণ্ডলে ক্রমাগত সৃষ্টি হওয়া বজ্রমেঘের প্রভাবে আগামী ৪ মে পর্যন্ত সারাদেশে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। মূলত দেশের পশ্চিমাঞ্চলে সৃষ্ট আবহাওয়াগত অস্থিরতা বা 'ঝঞ্ঝা'র কারণে বড় আকারের বজ্রমেঘ তৈরি হচ্ছে, যার ফলে এবার স্বাভাবিকের চেয়ে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ও তীব্রতা অনেক বেশি। অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেসা জানিয়েছেন, প্রাক-বর্ষা মৌসুম কিছুটা আগেভাগে সক্রিয় হয়ে ওঠায় এপ্রিলের শেষার্ধে দেশজুড়ে এমন টানা বর্ষণ দেখা যাচ্ছে।
গত ২৪ ঘণ্টার পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। কিশোরগঞ্জের নিকলিতে সর্বোচ্চ ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া ভোলায় ১৫১ মিলিমিটার, ফেনীতে ১৪৮ মিলিমিটার এবং ময়মনসিংহে ১১৫ মিলিমিটারসহ দেশের প্রায় সব বড় স্টেশনে ভারি বর্ষণ হয়েছে। নেত্রকোনায় ৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হলেও উত্তরের পাহাড়ি ঢল ও স্থানীয় বৃষ্টির কারণে সেখানকার পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হচ্ছে। আজ বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে মাঝারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।
আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের কিছু এলাকা ছাড়া দেশের বাকি প্রায় সব বিভাগেই অস্থায়ী দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ বেশি হওয়ায় নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি ও জানমালের নিরাপত্তার বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। মেঘলা আকাশ এবং বৃষ্টির এই ধারা আগামী কয়েকদিন অপরিবর্তিত থাকতে পারে, যা জনজীবনে কিছুটা স্থবিরতা তৈরি করলেও তাপপ্রবাহ থেকে মুক্তি দেবে। তবে কৃষকদের জন্য এই বৈরী আবহাওয়া শঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
সক্রিয় দক্ষিণী বায়ু এবং বায়ুমণ্ডলে ক্রমাগত সৃষ্টি হওয়া বজ্রমেঘের প্রভাবে আগামী ৪ মে পর্যন্ত সারাদেশে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। মূলত দেশের পশ্চিমাঞ্চলে সৃষ্ট আবহাওয়াগত অস্থিরতা বা 'ঝঞ্ঝা'র কারণে বড় আকারের বজ্রমেঘ তৈরি হচ্ছে, যার ফলে এবার স্বাভাবিকের চেয়ে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ও তীব্রতা অনেক বেশি। অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেসা জানিয়েছেন, প্রাক-বর্ষা মৌসুম কিছুটা আগেভাগে সক্রিয় হয়ে ওঠায় এপ্রিলের শেষার্ধে দেশজুড়ে এমন টানা বর্ষণ দেখা যাচ্ছে।
গত ২৪ ঘণ্টার পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। কিশোরগঞ্জের নিকলিতে সর্বোচ্চ ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া ভোলায় ১৫১ মিলিমিটার, ফেনীতে ১৪৮ মিলিমিটার এবং ময়মনসিংহে ১১৫ মিলিমিটারসহ দেশের প্রায় সব বড় স্টেশনে ভারি বর্ষণ হয়েছে। নেত্রকোনায় ৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হলেও উত্তরের পাহাড়ি ঢল ও স্থানীয় বৃষ্টির কারণে সেখানকার পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হচ্ছে। আজ বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে মাঝারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।
আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের কিছু এলাকা ছাড়া দেশের বাকি প্রায় সব বিভাগেই অস্থায়ী দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ বেশি হওয়ায় নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি ও জানমালের নিরাপত্তার বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। মেঘলা আকাশ এবং বৃষ্টির এই ধারা আগামী কয়েকদিন অপরিবর্তিত থাকতে পারে, যা জনজীবনে কিছুটা স্থবিরতা তৈরি করলেও তাপপ্রবাহ থেকে মুক্তি দেবে। তবে কৃষকদের জন্য এই বৈরী আবহাওয়া শঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন