যুক্তরাষ্ট্রে নিহত দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করছে বাংলাদেশ সরকার। সোমবার (৪ মে ২০২৬) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিহত শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ গ্রহণকালে সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। তিনি জানান, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সার্বক্ষণিক কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। একইসঙ্গে অপর নিহত শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার সব ধরনের প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।
ভয়াবহ এই ট্র্যাজেডির শিকার জামিল আহমেদ লিমন ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগে পিএইচডি গবেষণারত ছিলেন। গত ১৬ এপ্রিল তিনি এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি নিখোঁজ হন। নিখোঁজ হওয়ার আট দিন পর ২৪ এপ্রিল পুলিশ লিমনের নিথর দেহ উদ্ধার করে। এর কিছুদিন পর ৩০ এপ্রিল দীর্ঘ ফরেনসিক পরীক্ষা শেষে বৃষ্টির মরদেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়। লিমনের মরদেহ আজ সকাল ৮টা ৪৭ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে করে দেশে পৌঁছালে এক শোকার্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বিমানবন্দর থেকে মরদেহটি তার মামার কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং এটি জামালপুরে তার পৈতৃক বাড়িতে দাফন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই জোড়া খুনের ঘটনায় লিমনের রুমমেট হিশাম আবুঘেরহেকে গ্রেপ্তার করেছে মার্কিন পুলিশ। আদালতের নথি অনুযায়ী, লিমনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে অত্যন্ত নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে এবং এই অপরাধে অভিযুক্ত হিশামের বিরুদ্ধে দুটি ‘ফার্স্ট-ডিগ্রি’ পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। এদিকে নিহতের স্বজনরা জানিয়েছেন, আগামী বুধবার (৬ মে) যুক্তরাষ্ট্রে বৃষ্টির জানাজা সম্পন্ন হবে এবং এরপরই তার মরদেহ দেশে পাঠানোর আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। বিদেশের মাটিতে দুই মেধাবী শিক্ষার্থীর এমন করুণ মৃত্যুতে দেশে গভীর শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, যার বিচার প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণে রাখছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে নিহত দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করছে বাংলাদেশ সরকার। সোমবার (৪ মে ২০২৬) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিহত শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ গ্রহণকালে সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। তিনি জানান, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সার্বক্ষণিক কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। একইসঙ্গে অপর নিহত শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার সব ধরনের প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।
ভয়াবহ এই ট্র্যাজেডির শিকার জামিল আহমেদ লিমন ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগে পিএইচডি গবেষণারত ছিলেন। গত ১৬ এপ্রিল তিনি এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি নিখোঁজ হন। নিখোঁজ হওয়ার আট দিন পর ২৪ এপ্রিল পুলিশ লিমনের নিথর দেহ উদ্ধার করে। এর কিছুদিন পর ৩০ এপ্রিল দীর্ঘ ফরেনসিক পরীক্ষা শেষে বৃষ্টির মরদেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়। লিমনের মরদেহ আজ সকাল ৮টা ৪৭ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে করে দেশে পৌঁছালে এক শোকার্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বিমানবন্দর থেকে মরদেহটি তার মামার কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং এটি জামালপুরে তার পৈতৃক বাড়িতে দাফন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই জোড়া খুনের ঘটনায় লিমনের রুমমেট হিশাম আবুঘেরহেকে গ্রেপ্তার করেছে মার্কিন পুলিশ। আদালতের নথি অনুযায়ী, লিমনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে অত্যন্ত নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে এবং এই অপরাধে অভিযুক্ত হিশামের বিরুদ্ধে দুটি ‘ফার্স্ট-ডিগ্রি’ পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। এদিকে নিহতের স্বজনরা জানিয়েছেন, আগামী বুধবার (৬ মে) যুক্তরাষ্ট্রে বৃষ্টির জানাজা সম্পন্ন হবে এবং এরপরই তার মরদেহ দেশে পাঠানোর আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। বিদেশের মাটিতে দুই মেধাবী শিক্ষার্থীর এমন করুণ মৃত্যুতে দেশে গভীর শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, যার বিচার প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণে রাখছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

আপনার মতামত লিখুন