রাজধানীর পল্লবী এলাকায় অত্যন্ত নির্মম ও পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া শিশু রামিসার শোকার্ত পরিবারের সাথে সরাসরি সাক্ষাৎ করে গভীর সমবেদনা ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। দুপুরের দিকে তিনি নিহত শিশু রামিসার বাসভবনে যান এবং সেখানে কান্নাভেজা ও ভেঙে পড়া পরিবারের সদস্যদের পাশে দাঁড়িয়ে সান্ত্বনা দেন। পরবর্তীতে উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা পল্লবীর এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডকে অন্ধকার যুগের বর্বরতার সাথে তুলনা করেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অবুঝ একটি শিশুকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে তা সভ্য সমাজকে স্তব্ধ করে দেয়। এই ধরনের জঘন্য অপরাধীদের মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় এনে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কঠোর বিচার নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের অন্যতম প্রভাবশালী এই সদস্য অত্যন্ত কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, নিষ্পাপ শিশু রামিসা হত্যার বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের গড়িমসি, ছলচাতুরি কিংবা কালক্ষেপণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি বর্তমান প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়ে বলেন, রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একটি সুনির্দিষ্ট ও সংক্ষিপ্ত সময়সীমা নির্ধারণ করে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি তথা ফাঁসি কার্যকর করতে হবে। সমাজে এই ধরনের অপরাধের পুনরাবৃত্তি রুখতে এর চেয়ে বড় কোনো বিকল্প নেই।
একই সাথে আইনি লড়াইকে আরও বেশি শক্তিশালী এবং নিশ্ছিদ্র করার লক্ষ্যে এক বড় পদক্ষেপের কথা জানান এই রাজনৈতিক নেতা। তিনি উল্লেখ করেন, অপরাধীরা যাতে আইনের কোনো ফাঁকফোকর দিয়ে পার পেয়ে যেতে না পারে, সেজন্য দেশের উচ্চ আদালত অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের অত্যন্ত দক্ষ ও সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনিরকে এই স্পর্শকাতর মামলার আইনি লড়াই পরিচালনার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হবে। জামায়াত নেতার এই আকস্মিক সফর এবং আইনি লড়াই জোরদারের ঘোষণা পল্লবীসহ পুরো রাজধানী জুড়ে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিকে আরও বেগবান করে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
রাজধানীর পল্লবী এলাকায় অত্যন্ত নির্মম ও পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া শিশু রামিসার শোকার্ত পরিবারের সাথে সরাসরি সাক্ষাৎ করে গভীর সমবেদনা ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। দুপুরের দিকে তিনি নিহত শিশু রামিসার বাসভবনে যান এবং সেখানে কান্নাভেজা ও ভেঙে পড়া পরিবারের সদস্যদের পাশে দাঁড়িয়ে সান্ত্বনা দেন। পরবর্তীতে উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা পল্লবীর এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডকে অন্ধকার যুগের বর্বরতার সাথে তুলনা করেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অবুঝ একটি শিশুকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে তা সভ্য সমাজকে স্তব্ধ করে দেয়। এই ধরনের জঘন্য অপরাধীদের মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় এনে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কঠোর বিচার নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের অন্যতম প্রভাবশালী এই সদস্য অত্যন্ত কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, নিষ্পাপ শিশু রামিসা হত্যার বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের গড়িমসি, ছলচাতুরি কিংবা কালক্ষেপণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি বর্তমান প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়ে বলেন, রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একটি সুনির্দিষ্ট ও সংক্ষিপ্ত সময়সীমা নির্ধারণ করে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি তথা ফাঁসি কার্যকর করতে হবে। সমাজে এই ধরনের অপরাধের পুনরাবৃত্তি রুখতে এর চেয়ে বড় কোনো বিকল্প নেই।
একই সাথে আইনি লড়াইকে আরও বেশি শক্তিশালী এবং নিশ্ছিদ্র করার লক্ষ্যে এক বড় পদক্ষেপের কথা জানান এই রাজনৈতিক নেতা। তিনি উল্লেখ করেন, অপরাধীরা যাতে আইনের কোনো ফাঁকফোকর দিয়ে পার পেয়ে যেতে না পারে, সেজন্য দেশের উচ্চ আদালত অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের অত্যন্ত দক্ষ ও সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনিরকে এই স্পর্শকাতর মামলার আইনি লড়াই পরিচালনার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হবে। জামায়াত নেতার এই আকস্মিক সফর এবং আইনি লড়াই জোরদারের ঘোষণা পল্লবীসহ পুরো রাজধানী জুড়ে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিকে আরও বেগবান করে তুলেছে।

আপনার মতামত লিখুন