ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি হস্তক্ষেপ ও নিষেধাজ্ঞার চেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ট্রাম্পের ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ইরানকে তার বৈধ পারমাণবিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার আইনগত ভিত্তি কী।
আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) তেহরানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব মন্তব্য করেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এই খবর নিশ্চিত করেছে।
প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, "ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছেন ইরান তার পারমাণবিক অধিকার ব্যবহার করতে পারবে না। কিন্তু আমি প্রশ্ন করতে চাই, কোন অপরাধের দায়ে ইরানকে এই অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে? ট্রাম্পকে এই অধিকার কে দিয়েছে?" তিনি দাবি করেন, ইরানকে কেন পারমাণবিক কার্যক্রম চালাতে দেওয়া হবে না, সেটির কোনো যৌক্তিক বা আইনগত কারণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়েছে ওয়াশিংটন।
ইরানের জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে পেজেশকিয়ান জানান, তাদের পারমাণবিক ও সামরিক কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে আন্তর্জাতিক আইন মেনে পরিচালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, "ইরান কখনো কোনো দেশে আগে হামলা করেনি এবং ভবিষ্যতেও করার কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে আমরা বারবার বাইরের শত্রুর হামলার শিকার হয়েছি। তাই নিজেদের সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা আমাদের নাগরিক ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব।"
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পেজেশকিয়ানের এই বক্তব্য ট্রাম্প প্রশাসনের 'সর্বোচ্চ চাপ' নীতির বিরুদ্ধে তেহরানের অনমনীয় অবস্থানেরই বহিঃপ্রকাশ। একদিকে হরমুজ প্রণালি নিয়ে উত্তেজনা এবং অন্যদিকে পারমাণবিক অধিকার নিয়ে এই বাগযুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
সূত্র: আল-জাজিরা।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি হস্তক্ষেপ ও নিষেধাজ্ঞার চেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ট্রাম্পের ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ইরানকে তার বৈধ পারমাণবিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার আইনগত ভিত্তি কী।
আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) তেহরানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব মন্তব্য করেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এই খবর নিশ্চিত করেছে।
প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, "ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছেন ইরান তার পারমাণবিক অধিকার ব্যবহার করতে পারবে না। কিন্তু আমি প্রশ্ন করতে চাই, কোন অপরাধের দায়ে ইরানকে এই অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে? ট্রাম্পকে এই অধিকার কে দিয়েছে?" তিনি দাবি করেন, ইরানকে কেন পারমাণবিক কার্যক্রম চালাতে দেওয়া হবে না, সেটির কোনো যৌক্তিক বা আইনগত কারণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়েছে ওয়াশিংটন।
ইরানের জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে পেজেশকিয়ান জানান, তাদের পারমাণবিক ও সামরিক কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে আন্তর্জাতিক আইন মেনে পরিচালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, "ইরান কখনো কোনো দেশে আগে হামলা করেনি এবং ভবিষ্যতেও করার কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে আমরা বারবার বাইরের শত্রুর হামলার শিকার হয়েছি। তাই নিজেদের সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা আমাদের নাগরিক ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব।"
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পেজেশকিয়ানের এই বক্তব্য ট্রাম্প প্রশাসনের 'সর্বোচ্চ চাপ' নীতির বিরুদ্ধে তেহরানের অনমনীয় অবস্থানেরই বহিঃপ্রকাশ। একদিকে হরমুজ প্রণালি নিয়ে উত্তেজনা এবং অন্যদিকে পারমাণবিক অধিকার নিয়ে এই বাগযুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
সূত্র: আল-জাজিরা।

আপনার মতামত লিখুন