বিশ্বকাপের
সোনালি ট্রফিটা সবশেষ যখন ব্রাজিল উঁচিয়ে ধরেছিল, তখন দলের নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। সেই
কিংবদন্তি কাফু মনে করছেন, দীর্ঘ ২৪ বছরের খরা কাটানোর জন্য ২০২৬ বিশ্বকাপই হতে যাচ্ছে
সেলেসাওদের জন্য মোক্ষম সময়। সোমবার মাদ্রিদে লরেয়াস ওয়ার্ল্ড স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড
অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজের এই দৃঢ় বিশ্বাসের কথা জানান তিনি।
২০০২ সালে
ইয়োকোহামায় জার্মানিকে হারিয়ে পঞ্চম শিরোপা জিতেছিল ব্রাজিল। এরপর কেটে গেছে দুটি দশকেরও
বেশি সময়। ১৯৯৪ ও ২০০২ বিশ্বকাপের এই মহানায়ক বলেন, “সবশেষ শিরোপা জেতার ২৪ বছর পর,
আমার মনে হয় এটাই ব্রাজিলের জন্য ফিরে আসার সেরা মুহূর্ত।” কাফুর মতে, বর্তমান দলের
ভারসাম্য এবং নতুন কোচের অধীনে ব্রাজিলের বিশ্বজয়ের সব রসদ মজুত রয়েছে।
ব্রাজিল
ফুটবল দলের নতুন কোচ কার্লো আনচেলত্তিকে নিয়ে কাফু দারুণ আশাবাদী। ধারাবাহিকভাবে শিরোপাজয়ী
এই কোচের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “আমরা এমন একজনকে কোচ হিসেবে পেয়েছি যিনি জিততে জানেন।
তিনি ব্রাজিল ফুটবলের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনবেন।” কাফু বিশ্লেষণ করে জানান, ব্রাজিলের
আক্রমণভাগ ও মধ্যমাঠ বরাবরের মতোই শক্তিশালী। তবে আনচেলত্তি এবার বিশেষ নজর দিয়েছেন
রক্ষণের দিকে। কাফুর সহজ সমীকরণ— “ব্রাজিল যদি রক্ষণ সামলে গোল না হজম করে, তবে যেকোনো
ম্যাচে অন্তত একটি গোল করার ক্ষমতা এই দলের আছে।”
রিয়াল মাদ্রিদ
তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে নিয়ে কাফু বড় বাজি ধরছেন। বর্ণবাদসহ নানা বিতর্কে মাঠের
বাইরে সময়টা চ্যালেঞ্জিং হলেও কাফু মনে করেন বিশ্বকাপই হবে ভিনির জাত চেনানোর মঞ্চ।
তিনি বলেন, “এই ৮টি ম্যাচই (ফাইনাল পর্যন্ত) বিশ্বকে বুঝিয়ে দেবে ভিনিসিয়ুস আসলে কী
করতে পারে। নিজের ফুটবল মূল্য প্রমাণের এর চেয়ে বড় সুযোগ আর নেই।”
সম্প্রতি
ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-১ গোলের জয়ে ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছে ব্রাজিল। যদিও বাজিকরদের
তালিকায় বর্তমান ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন স্পেন কিছুটা এগিয়ে, তবে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো
ও কানাডায় অনুষ্ঠেয় এই মেগা আসরে শিরোপার শীর্ষ পাঁচ দাবিদারের মধ্যে শক্ত অবস্থানে
রয়েছে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা।
কাফুর এই
অভয়বাণী কি তবে ষষ্ঠ শিরোপার ইঙ্গিত? উত্তরটা সময়ের হাতে থাকলেও, ফুটবল বিশ্ব যে ২০২৬-এ
এক অন্য ব্রাজিলকে দেখার অপেক্ষায়, তা কাফুর কথাতেই স্পষ্ট।
২০০২ সালের
পর ২০২৬ সালে ২৪ বছর পূর্ণ হবে ব্রাজিলের শিরোপাহীন যাত্রার। ১৯৯৪ সালে ব্রাজিল যখন
ট্রফি জিতেছিল, সেটিও ছিল ২৪ বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান (১৯৭০-এর পর)। কাফু হয়তো সেই
ঐতিহাসিক মিল থেকেই এবারের বিশ্বকাপ নিয়ে এত বড় স্বপ্ন দেখছেন।

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
বিশ্বকাপের
সোনালি ট্রফিটা সবশেষ যখন ব্রাজিল উঁচিয়ে ধরেছিল, তখন দলের নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। সেই
কিংবদন্তি কাফু মনে করছেন, দীর্ঘ ২৪ বছরের খরা কাটানোর জন্য ২০২৬ বিশ্বকাপই হতে যাচ্ছে
সেলেসাওদের জন্য মোক্ষম সময়। সোমবার মাদ্রিদে লরেয়াস ওয়ার্ল্ড স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড
অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজের এই দৃঢ় বিশ্বাসের কথা জানান তিনি।
২০০২ সালে
ইয়োকোহামায় জার্মানিকে হারিয়ে পঞ্চম শিরোপা জিতেছিল ব্রাজিল। এরপর কেটে গেছে দুটি দশকেরও
বেশি সময়। ১৯৯৪ ও ২০০২ বিশ্বকাপের এই মহানায়ক বলেন, “সবশেষ শিরোপা জেতার ২৪ বছর পর,
আমার মনে হয় এটাই ব্রাজিলের জন্য ফিরে আসার সেরা মুহূর্ত।” কাফুর মতে, বর্তমান দলের
ভারসাম্য এবং নতুন কোচের অধীনে ব্রাজিলের বিশ্বজয়ের সব রসদ মজুত রয়েছে।
ব্রাজিল
ফুটবল দলের নতুন কোচ কার্লো আনচেলত্তিকে নিয়ে কাফু দারুণ আশাবাদী। ধারাবাহিকভাবে শিরোপাজয়ী
এই কোচের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “আমরা এমন একজনকে কোচ হিসেবে পেয়েছি যিনি জিততে জানেন।
তিনি ব্রাজিল ফুটবলের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনবেন।” কাফু বিশ্লেষণ করে জানান, ব্রাজিলের
আক্রমণভাগ ও মধ্যমাঠ বরাবরের মতোই শক্তিশালী। তবে আনচেলত্তি এবার বিশেষ নজর দিয়েছেন
রক্ষণের দিকে। কাফুর সহজ সমীকরণ— “ব্রাজিল যদি রক্ষণ সামলে গোল না হজম করে, তবে যেকোনো
ম্যাচে অন্তত একটি গোল করার ক্ষমতা এই দলের আছে।”
রিয়াল মাদ্রিদ
তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে নিয়ে কাফু বড় বাজি ধরছেন। বর্ণবাদসহ নানা বিতর্কে মাঠের
বাইরে সময়টা চ্যালেঞ্জিং হলেও কাফু মনে করেন বিশ্বকাপই হবে ভিনির জাত চেনানোর মঞ্চ।
তিনি বলেন, “এই ৮টি ম্যাচই (ফাইনাল পর্যন্ত) বিশ্বকে বুঝিয়ে দেবে ভিনিসিয়ুস আসলে কী
করতে পারে। নিজের ফুটবল মূল্য প্রমাণের এর চেয়ে বড় সুযোগ আর নেই।”
সম্প্রতি
ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-১ গোলের জয়ে ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছে ব্রাজিল। যদিও বাজিকরদের
তালিকায় বর্তমান ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন স্পেন কিছুটা এগিয়ে, তবে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো
ও কানাডায় অনুষ্ঠেয় এই মেগা আসরে শিরোপার শীর্ষ পাঁচ দাবিদারের মধ্যে শক্ত অবস্থানে
রয়েছে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা।
কাফুর এই
অভয়বাণী কি তবে ষষ্ঠ শিরোপার ইঙ্গিত? উত্তরটা সময়ের হাতে থাকলেও, ফুটবল বিশ্ব যে ২০২৬-এ
এক অন্য ব্রাজিলকে দেখার অপেক্ষায়, তা কাফুর কথাতেই স্পষ্ট।
২০০২ সালের
পর ২০২৬ সালে ২৪ বছর পূর্ণ হবে ব্রাজিলের শিরোপাহীন যাত্রার। ১৯৯৪ সালে ব্রাজিল যখন
ট্রফি জিতেছিল, সেটিও ছিল ২৪ বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান (১৯৭০-এর পর)। কাফু হয়তো সেই
ঐতিহাসিক মিল থেকেই এবারের বিশ্বকাপ নিয়ে এত বড় স্বপ্ন দেখছেন।

আপনার মতামত লিখুন