ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝেই আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা গেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত স্পট গোল্ডের দাম প্রায় ০.৯% কমে প্রতি আউন্স ৪,৬৯৬ ডলারের কাছাকাছি অবস্থান করছে। একই সময়ে জুন ডেলিভারির মার্কিন স্বর্ণ ফিউচারও প্রায় ০.৮% হ্রাস পেয়েছে বলে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, শক্তিশালী মার্কিন ডলার, ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংকটের অনিশ্চয়তা এই দরপতনের পেছনে মূল নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে। ডলারের মান বৃদ্ধি পাওয়ায় অন্যান্য মুদ্রাধারীদের জন্য স্বর্ণ কেনা এখন আগের চেয়ে ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে। এর পাশাপাশি মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ফলন বেড়ে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের কাছে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের আকর্ষণ সাময়িকভাবে কমেছে।
স্যাক্সো ব্যাংকের পণ্য কৌশল বিভাগের প্রধান ওলে হ্যানসেনের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, স্বর্ণের বাজার বর্তমানে তেলের দামের গতিবিধি অনুসরণ করছে। জ্বালানির দাম বাড়তে থাকায় স্বল্পমেয়াদে ডলার আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, যা মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে। তবে দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাসে বলা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও তীব্র হলে স্বর্ণের দাম পুনরায় ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে।
এদিকে বিশ্ববাজারের এই নিম্নমুখী প্রবণতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ থেকেই কার্যকর হওয়া এই সিদ্ধান্তের ফলে স্থানীয় ক্রেতারা কিছুটা স্বস্তি পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝেই আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা গেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত স্পট গোল্ডের দাম প্রায় ০.৯% কমে প্রতি আউন্স ৪,৬৯৬ ডলারের কাছাকাছি অবস্থান করছে। একই সময়ে জুন ডেলিভারির মার্কিন স্বর্ণ ফিউচারও প্রায় ০.৮% হ্রাস পেয়েছে বলে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, শক্তিশালী মার্কিন ডলার, ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংকটের অনিশ্চয়তা এই দরপতনের পেছনে মূল নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে। ডলারের মান বৃদ্ধি পাওয়ায় অন্যান্য মুদ্রাধারীদের জন্য স্বর্ণ কেনা এখন আগের চেয়ে ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে। এর পাশাপাশি মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ফলন বেড়ে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের কাছে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের আকর্ষণ সাময়িকভাবে কমেছে।
স্যাক্সো ব্যাংকের পণ্য কৌশল বিভাগের প্রধান ওলে হ্যানসেনের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, স্বর্ণের বাজার বর্তমানে তেলের দামের গতিবিধি অনুসরণ করছে। জ্বালানির দাম বাড়তে থাকায় স্বল্পমেয়াদে ডলার আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, যা মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে। তবে দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাসে বলা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও তীব্র হলে স্বর্ণের দাম পুনরায় ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে।
এদিকে বিশ্ববাজারের এই নিম্নমুখী প্রবণতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ থেকেই কার্যকর হওয়া এই সিদ্ধান্তের ফলে স্থানীয় ক্রেতারা কিছুটা স্বস্তি পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন