দিল্লিতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়ে অবস্থান করছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অত্যন্ত গোপনীয়তা ও কঠোর সামরিক পাহারার মধ্যে তার দিন কাটছে বলে জানা গেছে। সম্প্রতি তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আসা লন্ডন প্রবাসী এক আওয়ামী লীগ নেতার বরাতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
শেখ হাসিনা বর্তমানে দিল্লির এমন একটি এলাকায় অবস্থান করছেন যা জনসাধারণের জন্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সেখানে তিনি অন্তত ৬ স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনীতে রয়েছেন। প্রতিটি স্তরে ভারতীয় হাইলি ট্রেইন্ড কমান্ডোরা অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন। দর্শনার্থীদের প্রবেশের আগে অন্তত ৬টি স্থানে তল্লাশি চালানো হয় এবং মোবাইলসহ সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস রেখে যেতে হয়।
নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য শেখ হাসিনা বর্তমানে প্রযুক্তির সহায়তা নিচ্ছেন। জানা গেছে, তিনি নিজের মোবাইলে একটি ব্রিটিশ নম্বর ব্যবহার করেন। পরিচয় গোপন রাখতে এবং অবস্থান যেন শনাক্ত না হয়, সেজন্য হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলার সময় নিয়মিত ‘ভিপিএন’ (VPN) ব্যবহার করে লোকেশন পরিবর্তন করে নেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার প্রক্রিয়াটি বেশ দীর্ঘ ও জটিল। সাক্ষাৎপ্রার্থীকে অন্তত এক মাস আগে ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর কাছে জীবনবৃত্তান্ত বা সিভি জমা দিতে হয়। এরপর কয়েক দফা ব্যাকগ্রাউন্ড চেক শেষে শেখ হাসিনার অনুমতি সাপেক্ষে সাক্ষাতের সুযোগ মেলে। প্রতি দুই সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৭ জন নেতাকর্মী তার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাচ্ছেন।
সাক্ষাৎ শেষে ফিরে আসা ওই নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, শেখ হাসিনা এখনো দলের একক নেতৃত্ব নিজের কাছেই রাখতে চান। এমনকি তার সন্তান বা পরিবারের অন্য কাউকে নেতৃত্বে আনার ব্যাপারেও তিনি আগ্রহী নন। তিনি মনে করেন, খুব শীঘ্রই দেশে একটি রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটবে এবং আওয়ামী লীগ আবারও রাজনীতিতে ফিরে আসবে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। তবে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে তার থাকার সুনির্দিষ্ট স্থান নিয়ে কখনোই দাপ্তরিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তার আবাসন, চিকিৎসা ও নিরাপত্তার যাবতীয় বিষয় ভারত সরকারই দেখভাল করছে বলে ওই নেতা নিশ্চিত করেছেন।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
দিল্লিতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়ে অবস্থান করছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অত্যন্ত গোপনীয়তা ও কঠোর সামরিক পাহারার মধ্যে তার দিন কাটছে বলে জানা গেছে। সম্প্রতি তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আসা লন্ডন প্রবাসী এক আওয়ামী লীগ নেতার বরাতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
শেখ হাসিনা বর্তমানে দিল্লির এমন একটি এলাকায় অবস্থান করছেন যা জনসাধারণের জন্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সেখানে তিনি অন্তত ৬ স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনীতে রয়েছেন। প্রতিটি স্তরে ভারতীয় হাইলি ট্রেইন্ড কমান্ডোরা অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন। দর্শনার্থীদের প্রবেশের আগে অন্তত ৬টি স্থানে তল্লাশি চালানো হয় এবং মোবাইলসহ সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস রেখে যেতে হয়।
নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য শেখ হাসিনা বর্তমানে প্রযুক্তির সহায়তা নিচ্ছেন। জানা গেছে, তিনি নিজের মোবাইলে একটি ব্রিটিশ নম্বর ব্যবহার করেন। পরিচয় গোপন রাখতে এবং অবস্থান যেন শনাক্ত না হয়, সেজন্য হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলার সময় নিয়মিত ‘ভিপিএন’ (VPN) ব্যবহার করে লোকেশন পরিবর্তন করে নেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার প্রক্রিয়াটি বেশ দীর্ঘ ও জটিল। সাক্ষাৎপ্রার্থীকে অন্তত এক মাস আগে ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর কাছে জীবনবৃত্তান্ত বা সিভি জমা দিতে হয়। এরপর কয়েক দফা ব্যাকগ্রাউন্ড চেক শেষে শেখ হাসিনার অনুমতি সাপেক্ষে সাক্ষাতের সুযোগ মেলে। প্রতি দুই সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৭ জন নেতাকর্মী তার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাচ্ছেন।
সাক্ষাৎ শেষে ফিরে আসা ওই নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, শেখ হাসিনা এখনো দলের একক নেতৃত্ব নিজের কাছেই রাখতে চান। এমনকি তার সন্তান বা পরিবারের অন্য কাউকে নেতৃত্বে আনার ব্যাপারেও তিনি আগ্রহী নন। তিনি মনে করেন, খুব শীঘ্রই দেশে একটি রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটবে এবং আওয়ামী লীগ আবারও রাজনীতিতে ফিরে আসবে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। তবে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে তার থাকার সুনির্দিষ্ট স্থান নিয়ে কখনোই দাপ্তরিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তার আবাসন, চিকিৎসা ও নিরাপত্তার যাবতীয় বিষয় ভারত সরকারই দেখভাল করছে বলে ওই নেতা নিশ্চিত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন