জাপানের
উত্তরাঞ্চলীয় প্রধান দ্বীপ হোক্কাইডোতে সোমবার ভোরে রিখটার স্কেলে ৬.২ মাত্রার
একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। তবে শক্তিশালী
এই কম্পনে প্রাথমিকভাবে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। জারি করা
হয়নি কোনো সুনামি সতর্কতাও।
জাপান
মেটিওরোলজিক্যাল এজেন্সির (জেএমএ) বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা কিয়োডো নিউজ জানায়, স্থানীয় সময় ভোরে অনুভূত এই কম্পনটি টোকাচি অঞ্চলে সবচেয়ে তীব্র ছিল। জাপানের নিজস্ব
ভূমিকম্প তীব্রতা স্কেলে ৭-এর মধ্যে
এর মাত্রা ছিল ৫-এর ওপরে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল
ছিল ভূগর্ভের প্রায় ৮৩ কিলোমিটার (৫১ মাইল) গভীরে।
কর্তৃপক্ষ
নিশ্চিত করেছে যে, হোক্কাইডোর টোমারি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে কোনো ধরনের অস্বাভাবিকতা বা ঝুঁকির সৃষ্টি হয়নি। তবে নিরাপত্তার
স্বার্থে হোক্কাইডোর প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলীয় এলাকায় স্থানীয় ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়। অবশ্য দ্বীপটির
শিনকানসেন বুলেট ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক ছিল।
বিশেজ্ঞদের
মতে, ৫-এর ওপর
তীব্রতার কম্পন এতটাই শক্তিশালী যে সাধারণ মানুষের পক্ষে ভারসাম্য বজায় রেখে হাঁটা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। এর আগে
জাপানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় আওমোরি প্রিফেকচারে ৭.৭ মাত্রার
একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। সেই ঘটনার
পর থেকে হোক্কাইডোসহ সাতটি অঞ্চলে এক সপ্তাহের বিশেষ সতর্কতা জারি রয়েছে। সোমবারের এই
কম্পনটির সাথে আগেরটির সরাসরি যোগসূত্র না থাকলেও আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকি এখনো বিদ্যমান। ফলে স্থানীয়
বাসিন্দাদের পরবর্তী কয়েক দিন সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তথ্যসূত্র:
কিয়োডো নিউজ ও জাপান মেটিওরোলজিক্যাল
এজেন্সি।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
জাপানের
উত্তরাঞ্চলীয় প্রধান দ্বীপ হোক্কাইডোতে সোমবার ভোরে রিখটার স্কেলে ৬.২ মাত্রার
একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। তবে শক্তিশালী
এই কম্পনে প্রাথমিকভাবে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। জারি করা
হয়নি কোনো সুনামি সতর্কতাও।
জাপান
মেটিওরোলজিক্যাল এজেন্সির (জেএমএ) বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা কিয়োডো নিউজ জানায়, স্থানীয় সময় ভোরে অনুভূত এই কম্পনটি টোকাচি অঞ্চলে সবচেয়ে তীব্র ছিল। জাপানের নিজস্ব
ভূমিকম্প তীব্রতা স্কেলে ৭-এর মধ্যে
এর মাত্রা ছিল ৫-এর ওপরে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল
ছিল ভূগর্ভের প্রায় ৮৩ কিলোমিটার (৫১ মাইল) গভীরে।
কর্তৃপক্ষ
নিশ্চিত করেছে যে, হোক্কাইডোর টোমারি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে কোনো ধরনের অস্বাভাবিকতা বা ঝুঁকির সৃষ্টি হয়নি। তবে নিরাপত্তার
স্বার্থে হোক্কাইডোর প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলীয় এলাকায় স্থানীয় ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়। অবশ্য দ্বীপটির
শিনকানসেন বুলেট ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক ছিল।
বিশেজ্ঞদের
মতে, ৫-এর ওপর
তীব্রতার কম্পন এতটাই শক্তিশালী যে সাধারণ মানুষের পক্ষে ভারসাম্য বজায় রেখে হাঁটা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। এর আগে
জাপানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় আওমোরি প্রিফেকচারে ৭.৭ মাত্রার
একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। সেই ঘটনার
পর থেকে হোক্কাইডোসহ সাতটি অঞ্চলে এক সপ্তাহের বিশেষ সতর্কতা জারি রয়েছে। সোমবারের এই
কম্পনটির সাথে আগেরটির সরাসরি যোগসূত্র না থাকলেও আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকি এখনো বিদ্যমান। ফলে স্থানীয়
বাসিন্দাদের পরবর্তী কয়েক দিন সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তথ্যসূত্র:
কিয়োডো নিউজ ও জাপান মেটিওরোলজিক্যাল
এজেন্সি।

আপনার মতামত লিখুন