আগামী ২ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিলেট সফরকে কেন্দ্র করে পুরো উত্তর-পূর্বাঞ্চলে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই সফরকে সফল করতে রাজনৈতিক নেতাকর্মী থেকে শুরু করে স্থানীয় প্রশাসন—সবাই এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রিয় নেতার আগমনী বার্তায় সাধারণ মানুষের মাঝেও বিরাজ করছে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী সিলেটের জামাতা হওয়ায় পুণ্যভূমি সিলেটবাসী তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতে উন্মুখ হয়ে আছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে সফরের মূল অনুষ্ঠানস্থল সিলেট জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শন শেষে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ্ সিদ্দিকী সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পরিদর্শনকালে মিফতাহ্ সিদ্দিকী জানান, সিলেটবাসী ঐতিহ্যগতভাবেই জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের আন্তরিকভাবে বরণ করে নেয়। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে জেলা স্টেডিয়ামসহ প্রতিটি অনুষ্ঠানস্থল সুসজ্জিত করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই সফর সিলেটের সামগ্রিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে এবং এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেটে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এছাড়া জেলা স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন এবং স্থানীয় প্রশাসন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মিলিত হবেন। সিলেটের অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার চলমান প্রকল্পগুলো এই সফরের মাধ্যমে নতুন গতি পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। পরিদর্শনকালে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক সমিতির প্রতিনিধি এবং প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
আগামী ২ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিলেট সফরকে কেন্দ্র করে পুরো উত্তর-পূর্বাঞ্চলে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই সফরকে সফল করতে রাজনৈতিক নেতাকর্মী থেকে শুরু করে স্থানীয় প্রশাসন—সবাই এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রিয় নেতার আগমনী বার্তায় সাধারণ মানুষের মাঝেও বিরাজ করছে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী সিলেটের জামাতা হওয়ায় পুণ্যভূমি সিলেটবাসী তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতে উন্মুখ হয়ে আছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে সফরের মূল অনুষ্ঠানস্থল সিলেট জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শন শেষে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ্ সিদ্দিকী সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পরিদর্শনকালে মিফতাহ্ সিদ্দিকী জানান, সিলেটবাসী ঐতিহ্যগতভাবেই জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের আন্তরিকভাবে বরণ করে নেয়। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে জেলা স্টেডিয়ামসহ প্রতিটি অনুষ্ঠানস্থল সুসজ্জিত করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই সফর সিলেটের সামগ্রিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে এবং এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেটে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এছাড়া জেলা স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন এবং স্থানীয় প্রশাসন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মিলিত হবেন। সিলেটের অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার চলমান প্রকল্পগুলো এই সফরের মাধ্যমে নতুন গতি পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। পরিদর্শনকালে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক সমিতির প্রতিনিধি এবং প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন