বাংলাদেশের আকাশপথের ইতিহাসে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হতে যাচ্ছে। রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স তাদের বহর সম্প্রসারণে মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং-এর সাথে এক ঐতিহাসিক চুক্তিতে আবদ্ধ হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে। যাত্রী ধারণক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে রূপান্তর করাই এই বৃহৎ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এম হুমায়ুন কবিরের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন এবং বিশেষ আমন্ত্রণে উপস্থিত থাকবেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন।
প্রস্তাবিত এই চুক্তির আওতায় বিমান বহরে মোট ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স জেট। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক রুটে যাত্রী চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং দূরপাল্লার ফ্লাইটে সেবার মান উন্নত করতেই এই অত্যাধুনিক উড়োজাহাজগুলো কেনা হচ্ছে। বিশাল আকৃতির ড্রিমলাইনারগুলো মূলত ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার দীর্ঘ রুটে চলাচল করবে, আর ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজগুলো ব্যবহৃত হবে আঞ্চলিক ও স্বল্প দূরত্বের রুটগুলোতে।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর প্রাক্কালে এই চুক্তিটি এভিয়েশন খাতের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বিমান বহরে উড়োজাহাজ সরবরাহ নিয়ে মার্কিন প্রতিষ্ঠান বোয়িং এবং ইউরোপীয় প্রতিদ্বন্দ্বী এয়ারবাসের মধ্যে দীর্ঘ তিন বছরের প্রতিযোগিতারও অবসান ঘটল। এর আগে ২০২৩ সালে ফরাসি প্রেসিডেন্টের সফরের সময় এয়ারবাস থেকে উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে আলোচনা বেশ এগিয়ে থাকলেও, শেষ পর্যন্ত বোয়িং-এর সমন্বিত প্রস্তাবটিই নীতিনির্ধারকদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। আজকের এই চুক্তির মধ্য দিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে তার বহরকে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার পথে বড় এক ধাপ অতিক্রম করল।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশের আকাশপথের ইতিহাসে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হতে যাচ্ছে। রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স তাদের বহর সম্প্রসারণে মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং-এর সাথে এক ঐতিহাসিক চুক্তিতে আবদ্ধ হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে। যাত্রী ধারণক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে রূপান্তর করাই এই বৃহৎ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এম হুমায়ুন কবিরের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন এবং বিশেষ আমন্ত্রণে উপস্থিত থাকবেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন।
প্রস্তাবিত এই চুক্তির আওতায় বিমান বহরে মোট ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স জেট। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক রুটে যাত্রী চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং দূরপাল্লার ফ্লাইটে সেবার মান উন্নত করতেই এই অত্যাধুনিক উড়োজাহাজগুলো কেনা হচ্ছে। বিশাল আকৃতির ড্রিমলাইনারগুলো মূলত ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার দীর্ঘ রুটে চলাচল করবে, আর ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজগুলো ব্যবহৃত হবে আঞ্চলিক ও স্বল্প দূরত্বের রুটগুলোতে।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর প্রাক্কালে এই চুক্তিটি এভিয়েশন খাতের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বিমান বহরে উড়োজাহাজ সরবরাহ নিয়ে মার্কিন প্রতিষ্ঠান বোয়িং এবং ইউরোপীয় প্রতিদ্বন্দ্বী এয়ারবাসের মধ্যে দীর্ঘ তিন বছরের প্রতিযোগিতারও অবসান ঘটল। এর আগে ২০২৩ সালে ফরাসি প্রেসিডেন্টের সফরের সময় এয়ারবাস থেকে উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে আলোচনা বেশ এগিয়ে থাকলেও, শেষ পর্যন্ত বোয়িং-এর সমন্বিত প্রস্তাবটিই নীতিনির্ধারকদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। আজকের এই চুক্তির মধ্য দিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে তার বহরকে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার পথে বড় এক ধাপ অতিক্রম করল।

আপনার মতামত লিখুন