চেন্নাই: তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী সময়ে এখন সবার চোখ বুথফেরত জরিপের দিকে, যেখানে সবচেয়ে বড় বিস্ময় হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন দক্ষিণী মেগাস্টার থালাপতি বিজয়। গত ২৩ এপ্রিল রাজ্যের ২৩৪টি আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে, যেখানে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৮২ শতাংশের বেশি। নিজের নবগঠিত দল ‘তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম’ (টিভিকে) নিয়ে প্রথমবার নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেই বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্টালিনের ডিএমকে জোটকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছেন বিজয়। বিভিন্ন সংস্থার এক্সিট পোল বা বুথফেরত জরিপে বিজয়ের পক্ষে যে শক্তিশালী জনসমর্থনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, তা দক্ষিণ ভারতের রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণের বার্তা দিচ্ছে।
জরিপের উপাত্তগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, অভিষেক নির্বাচনেই থালাপতি বিজয়ের দল ৯৮ থেকে ১২০টি আসন পেয়ে বাজিমাত করতে পারে। তবে কোনো কোনো সংস্থার মতে, ডিএমকে জোট ১২০ থেকে ১৪৫টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এগিয়ে থাকতে পারে, যেখানে এআইএডিএমকে জোটের ঝুলিতে যেতে পারে ৬০ থেকে ৮০টি আসন। বিশেষ করে কামাখ্যা অ্যানালিটিক্স-এর মতো কিছু সংস্থা বিজয়কে সম্ভাব্য ‘কিংমেকার’ হিসেবে দেখছে; তাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী বিজয় অন্তত ৬৭ থেকে ৮১টি আসন পেলেও সরকার গঠনে তার দলই হবে মূল চাবিকাঠি।
নির্বাচনের আগে বিজয়ের জনসভাগুলোতে মানুষের উপচে পড়া ভিড় যে কেবল রূপালি পর্দার মোহ ছিল না, বরং তা গভীর রাজনৈতিক সমর্থনে রূপ নিয়েছে—বুথফেরত জরিপের ফল তারই প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। যদিও কিছু জরিপে তার আসন সংখ্যা কিছুটা কম দেখানো হয়েছে, তবে সব মিলিয়ে বিজয়ের প্রথম ভোটযুদ্ধ যে রাজ্যের রাজনৈতিক মানচিত্র বদলে দিতে যাচ্ছে, তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। এখন দেখার বিষয়, আগামী ২ মে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার দিন বুথফেরত জরিপের এই পূর্বাভাসকে সত্য প্রমাণ করে বিজয় ইতিহাস গড়তে পারেন কি না।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
চেন্নাই: তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী সময়ে এখন সবার চোখ বুথফেরত জরিপের দিকে, যেখানে সবচেয়ে বড় বিস্ময় হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন দক্ষিণী মেগাস্টার থালাপতি বিজয়। গত ২৩ এপ্রিল রাজ্যের ২৩৪টি আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে, যেখানে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৮২ শতাংশের বেশি। নিজের নবগঠিত দল ‘তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম’ (টিভিকে) নিয়ে প্রথমবার নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেই বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্টালিনের ডিএমকে জোটকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছেন বিজয়। বিভিন্ন সংস্থার এক্সিট পোল বা বুথফেরত জরিপে বিজয়ের পক্ষে যে শক্তিশালী জনসমর্থনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, তা দক্ষিণ ভারতের রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণের বার্তা দিচ্ছে।
জরিপের উপাত্তগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, অভিষেক নির্বাচনেই থালাপতি বিজয়ের দল ৯৮ থেকে ১২০টি আসন পেয়ে বাজিমাত করতে পারে। তবে কোনো কোনো সংস্থার মতে, ডিএমকে জোট ১২০ থেকে ১৪৫টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এগিয়ে থাকতে পারে, যেখানে এআইএডিএমকে জোটের ঝুলিতে যেতে পারে ৬০ থেকে ৮০টি আসন। বিশেষ করে কামাখ্যা অ্যানালিটিক্স-এর মতো কিছু সংস্থা বিজয়কে সম্ভাব্য ‘কিংমেকার’ হিসেবে দেখছে; তাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী বিজয় অন্তত ৬৭ থেকে ৮১টি আসন পেলেও সরকার গঠনে তার দলই হবে মূল চাবিকাঠি।
নির্বাচনের আগে বিজয়ের জনসভাগুলোতে মানুষের উপচে পড়া ভিড় যে কেবল রূপালি পর্দার মোহ ছিল না, বরং তা গভীর রাজনৈতিক সমর্থনে রূপ নিয়েছে—বুথফেরত জরিপের ফল তারই প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। যদিও কিছু জরিপে তার আসন সংখ্যা কিছুটা কম দেখানো হয়েছে, তবে সব মিলিয়ে বিজয়ের প্রথম ভোটযুদ্ধ যে রাজ্যের রাজনৈতিক মানচিত্র বদলে দিতে যাচ্ছে, তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। এখন দেখার বিষয়, আগামী ২ মে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার দিন বুথফেরত জরিপের এই পূর্বাভাসকে সত্য প্রমাণ করে বিজয় ইতিহাস গড়তে পারেন কি না।

আপনার মতামত লিখুন