র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) আভিযানিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে বড় ধরনের বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ১২২ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট ১৬৩টি নতুন গাড়ি কেনার একটি প্রস্তাবনা গতকাল বৃহস্পতিবার (৭ মে) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে অনুমোদিত হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো প্রস্তাবটি বিস্তারিত পর্যালোচনার পর সবুজ সংকেত পায়।
অনুমোদিত এই প্রস্তাবের আওতায় র্যাবের বহরে যুক্ত হচ্ছে ৩টি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন জিপ, ১০০টি টহল পিকআপ এবং ৬০টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আধুনিক মাইক্রোবাস। সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) এসব যানবাহন সরবরাহ করবে সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি জিপের ইঞ্জিন ক্ষমতা হবে ২ হাজার ৫০০ সিসি এবং এগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ধরা হয়েছে দেড় কোটি টাকা করে। এছাড়া প্রতিটি টহল পিকআপের মূল্য প্রায় ৬৪ লাখ টাকা এবং প্রতিটি মাইক্রোবাসের দাম পড়বে প্রায় ৪৮ লাখ টাকা।
উল্লেখ্য যে, সরকারি ব্যয় সংকোচনের লক্ষ্যে গত ৫ এপ্রিল অর্থ মন্ত্রণালয় সব ধরনের যানবাহন কেনা স্থগিত রেখে একটি পরিপত্র জারি করেছিল। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি আভিযানিক প্রয়োজন বিবেচনায় র্যাবের এই গাড়ি কেনার বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। 'র্যাব ফোর্সেসের আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি (প্রথম সংশোধিত)' শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট থেকে এই ব্যয়নির্বাহ করা হবে।
ঐতিহাসিকভাবে এই প্রকল্পটি ২০১৮ সালে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রথম অনুমোদিত হয়েছিল, যার প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৩৪ কোটি টাকা। পরবর্তীতে প্রকল্পের যৌক্তিকতা ও ব্যয় পর্যালোচনা করে ২০৭ কোটি টাকা কমিয়ে সংশোধিত ব্যয় ৮২৭ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয় এবং প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৬ সাল পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। এই দীর্ঘমেয়াদী প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ছিল র্যাবের জন্য মোট ১ হাজার ৫৭০টি বিভিন্ন ধরনের যানবাহন এবং ১৩১টি সরঞ্জাম সংগ্রহ করা। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৮০৯টি যানবাহন এবং ১০১টি সরঞ্জাম কেনা সম্পন্ন হয়েছে। নতুন করে ১৬৩টি গাড়ি যুক্ত হওয়ায় মাঠ পর্যায়ে অপরাধ দমন ও টহল কার্যক্রমে র্যাবের গতিশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) আভিযানিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে বড় ধরনের বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ১২২ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট ১৬৩টি নতুন গাড়ি কেনার একটি প্রস্তাবনা গতকাল বৃহস্পতিবার (৭ মে) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে অনুমোদিত হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো প্রস্তাবটি বিস্তারিত পর্যালোচনার পর সবুজ সংকেত পায়।
অনুমোদিত এই প্রস্তাবের আওতায় র্যাবের বহরে যুক্ত হচ্ছে ৩টি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন জিপ, ১০০টি টহল পিকআপ এবং ৬০টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আধুনিক মাইক্রোবাস। সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) এসব যানবাহন সরবরাহ করবে সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি জিপের ইঞ্জিন ক্ষমতা হবে ২ হাজার ৫০০ সিসি এবং এগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ধরা হয়েছে দেড় কোটি টাকা করে। এছাড়া প্রতিটি টহল পিকআপের মূল্য প্রায় ৬৪ লাখ টাকা এবং প্রতিটি মাইক্রোবাসের দাম পড়বে প্রায় ৪৮ লাখ টাকা।
উল্লেখ্য যে, সরকারি ব্যয় সংকোচনের লক্ষ্যে গত ৫ এপ্রিল অর্থ মন্ত্রণালয় সব ধরনের যানবাহন কেনা স্থগিত রেখে একটি পরিপত্র জারি করেছিল। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি আভিযানিক প্রয়োজন বিবেচনায় র্যাবের এই গাড়ি কেনার বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। 'র্যাব ফোর্সেসের আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি (প্রথম সংশোধিত)' শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট থেকে এই ব্যয়নির্বাহ করা হবে।
ঐতিহাসিকভাবে এই প্রকল্পটি ২০১৮ সালে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রথম অনুমোদিত হয়েছিল, যার প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৩৪ কোটি টাকা। পরবর্তীতে প্রকল্পের যৌক্তিকতা ও ব্যয় পর্যালোচনা করে ২০৭ কোটি টাকা কমিয়ে সংশোধিত ব্যয় ৮২৭ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয় এবং প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৬ সাল পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। এই দীর্ঘমেয়াদী প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ছিল র্যাবের জন্য মোট ১ হাজার ৫৭০টি বিভিন্ন ধরনের যানবাহন এবং ১৩১টি সরঞ্জাম সংগ্রহ করা। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৮০৯টি যানবাহন এবং ১০১টি সরঞ্জাম কেনা সম্পন্ন হয়েছে। নতুন করে ১৬৩টি গাড়ি যুক্ত হওয়ায় মাঠ পর্যায়ে অপরাধ দমন ও টহল কার্যক্রমে র্যাবের গতিশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন