মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও ইরানকে কেন্দ্র করে সংঘাতের মধ্যেই নতুন এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, ইসরায়েল সংযুক্ত আরব আমিরাতকে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘আয়রন ডোম’ সরবরাহ করেছে, যা যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সক্রিয়ভাবে ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি মাইক ওয়াল্টজ জাতিসংঘে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিষয়টি প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে উল্লেখ করেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ইসরায়েল থেকে পাওয়া এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে ইরানের ছোড়া কিছু ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
ইসরায়েলি গণমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের বরাতে বলা হয়েছে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি যখন চরম উত্তেজনায়, তখন আমিরাতের আকাশ প্রতিরক্ষায় এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে দাবি করা হচ্ছে।
অন্যদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় সংযুক্ত আরব আমিরাত গোপনে ইরানে একটি সামরিক অভিযানেও অংশ নেয়। যদিও এ বিষয়ে আমিরাত সরকার প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি বা কোনো ধরনের সামরিক হামলার দায় স্বীকার করেনি।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ওই অভিযানের লক্ষ্য ছিল ইরানের লাভান দ্বীপে অবস্থিত একটি তেল শোধনাগার। হামলাটি এপ্রিলের শুরুতে সংঘটিত হয় বলে দাবি করা হয়েছে। তবে এটি যুদ্ধবিরতির আগে না পরে ঘটেছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য দেয়নি সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানকে কেন্দ্র করে এই ধরনের তথ্য প্রকাশ মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর গোপন সামরিক সহযোগিতা ও জোট নতুন করে আলোচনার জন্ম দিচ্ছে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও ইরানকে কেন্দ্র করে সংঘাতের মধ্যেই নতুন এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, ইসরায়েল সংযুক্ত আরব আমিরাতকে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘আয়রন ডোম’ সরবরাহ করেছে, যা যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সক্রিয়ভাবে ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি মাইক ওয়াল্টজ জাতিসংঘে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিষয়টি প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে উল্লেখ করেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ইসরায়েল থেকে পাওয়া এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে ইরানের ছোড়া কিছু ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
ইসরায়েলি গণমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের বরাতে বলা হয়েছে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি যখন চরম উত্তেজনায়, তখন আমিরাতের আকাশ প্রতিরক্ষায় এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে দাবি করা হচ্ছে।
অন্যদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় সংযুক্ত আরব আমিরাত গোপনে ইরানে একটি সামরিক অভিযানেও অংশ নেয়। যদিও এ বিষয়ে আমিরাত সরকার প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি বা কোনো ধরনের সামরিক হামলার দায় স্বীকার করেনি।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ওই অভিযানের লক্ষ্য ছিল ইরানের লাভান দ্বীপে অবস্থিত একটি তেল শোধনাগার। হামলাটি এপ্রিলের শুরুতে সংঘটিত হয় বলে দাবি করা হয়েছে। তবে এটি যুদ্ধবিরতির আগে না পরে ঘটেছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য দেয়নি সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানকে কেন্দ্র করে এই ধরনের তথ্য প্রকাশ মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর গোপন সামরিক সহযোগিতা ও জোট নতুন করে আলোচনার জন্ম দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন