লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার আমঝোল সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গুলিতে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হওয়ার ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় চরম উত্তেজনা ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত যুবকের নাম খাদেমুল ইসলাম, যার বয়স মাত্র আটাশ বছর। তিনি উপজেলার উত্তর আমঝোল গ্রামের বাসিন্দা আমজাদ হোসেনের সন্তান। গতকাল বুধবার গভীর রাতে উপজেলার গোতামারী ইউনিয়নের আমঝোল সীমান্তে বিএসএফের সদস্যরা তাকে লক্ষ্য করে অতর্কিত গুলি ছুড়লে এই মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বর্ণনা অনুযায়ী, বুধবার রাতের শেষ প্রহরে খাদেমুলসহ স্থানীয় কয়েকজন যুবক আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ৯০৫ এর উপপিলার ৮ সংলগ্ন কাঁটাতারের বেড়ার কাছাকাছি অবস্থান করছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে সীমান্তের ওপার থেকে বিএসএফের টহল দল তাদের লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি বর্ষণ করে। এতে খাদেমুল ইসলামের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলিবিদ্ধ হয় এবং তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তার সাথে থাকা সঙ্গীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রংপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু আঘাত গুরুতর হওয়ায় সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই তার মৃত্যু হয়। আজ বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে তার নিথর মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হলে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদের কান্নায় আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।
এই অনাকাঙ্ক্ষিত সীমান্ত হত্যার ঘটনায় লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন বা ১৫ বিজিবির কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান যে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে এবং কেন এই গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটল তা জানতে বিজিবির পক্ষ থেকে নিবিড়ভাবে কাজ চলছে। বিষয়টি নিয়ে বিএসএফের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে এবং বিস্তারিত তথ্য হাতে এলে দ্রুতই তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। সীমান্তের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং বারবার এমন প্রাণহানির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাপা ক্ষোভ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার আমঝোল সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গুলিতে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হওয়ার ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় চরম উত্তেজনা ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত যুবকের নাম খাদেমুল ইসলাম, যার বয়স মাত্র আটাশ বছর। তিনি উপজেলার উত্তর আমঝোল গ্রামের বাসিন্দা আমজাদ হোসেনের সন্তান। গতকাল বুধবার গভীর রাতে উপজেলার গোতামারী ইউনিয়নের আমঝোল সীমান্তে বিএসএফের সদস্যরা তাকে লক্ষ্য করে অতর্কিত গুলি ছুড়লে এই মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বর্ণনা অনুযায়ী, বুধবার রাতের শেষ প্রহরে খাদেমুলসহ স্থানীয় কয়েকজন যুবক আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ৯০৫ এর উপপিলার ৮ সংলগ্ন কাঁটাতারের বেড়ার কাছাকাছি অবস্থান করছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে সীমান্তের ওপার থেকে বিএসএফের টহল দল তাদের লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি বর্ষণ করে। এতে খাদেমুল ইসলামের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলিবিদ্ধ হয় এবং তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তার সাথে থাকা সঙ্গীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রংপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু আঘাত গুরুতর হওয়ায় সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই তার মৃত্যু হয়। আজ বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে তার নিথর মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হলে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদের কান্নায় আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।
এই অনাকাঙ্ক্ষিত সীমান্ত হত্যার ঘটনায় লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন বা ১৫ বিজিবির কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান যে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে এবং কেন এই গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটল তা জানতে বিজিবির পক্ষ থেকে নিবিড়ভাবে কাজ চলছে। বিষয়টি নিয়ে বিএসএফের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে এবং বিস্তারিত তথ্য হাতে এলে দ্রুতই তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। সীমান্তের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং বারবার এমন প্রাণহানির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাপা ক্ষোভ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন