পবিত্র ঈদুল আজহার ত্যাগের মহিমা ও আনন্দের ভাগ নিতে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের ভিড় সামাল দিতে আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বুধবার থেকে দেশব্যাপী ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বরাবরের মতো এবারও যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে এবং টিকিট প্রাপ্তি সহজতর করতে দুই ভাগে সময় ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। আজ সকাল আটটা বাজার সাথে সাথেই পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী ট্রেনগুলোর আসন বরাদ্দের প্রক্রিয়া শুরু হয়। অন্যদিকে, যারা পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করবেন, তারা আজ দুপুর দুইটা থেকে নির্ধারিত টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। আজ মূলত যারা তেইশে মে তারিখের রেলযাত্রার কথা ভাবছেন, তাদের জন্যই টিকিটগুলো উন্মুক্ত করা হয়েছে।
রেলওয়ের নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, আসন্ন ঈদযাত্রার এই অগ্রিম টিকিট বিক্রি কার্যক্রম আগামী কয়েক দিন পর্যন্ত চলমান থাকবে। নির্দিষ্ট দিনপঞ্জিকা অনুসারে, আগামীকাল চৌদ্দই মে তারিখে চব্বিশ মে তারিখের যাত্রার টিকিট পাওয়া যাবে। এরপর পনেরো মে মিলবে পঁচিশ তারিখের টিকিট, ষোলো মে তারিখে ছাব্বিশ তারিখের এবং সবশেষে সতেরো মে তারিখে সাতাশ মে তারিখের ভ্রমণের টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন সাধারণ মানুষ। টিকিট প্রত্যাশীদের উপচে পড়া চাপ সামলাতে এবারও বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে যাতে মানুষ ভোগান্তি ছাড়াই আসন নিশ্চিত করতে পারেন। ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করাই এই কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য।
অন্যদিকে, উৎসব শেষে কর্মস্থলে নির্বিঘ্নে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করতে ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রির তারিখও ঘোষণা করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আগামী একুশে মে থেকে শুরু হবে ফিরতি টিকিট বিক্রির তোড়জোড়। ওইদিন মূলত একত্রিশ মে তারিখের আসনগুলো বরাদ্দ দেওয়া হবে। এরপর বাইশে মে থেকে পঁচিশ মে পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে জুন মাসের এক তারিখ থেকে চার তারিখ পর্যন্ত যাত্রার ফিরতি টিকিটগুলো সংগ্রহ করা যাবে। বাড়ি ফেরার আনন্দ যেন পথেই ম্লান না হয়ে যায়, সেজন্য রেলওয়ের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও সময়ানুবর্তিতা বজায় রাখার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঈদ যাত্রার এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করতে তদারকি জোরদার করা হয়েছে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহার ত্যাগের মহিমা ও আনন্দের ভাগ নিতে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের ভিড় সামাল দিতে আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বুধবার থেকে দেশব্যাপী ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বরাবরের মতো এবারও যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে এবং টিকিট প্রাপ্তি সহজতর করতে দুই ভাগে সময় ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। আজ সকাল আটটা বাজার সাথে সাথেই পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী ট্রেনগুলোর আসন বরাদ্দের প্রক্রিয়া শুরু হয়। অন্যদিকে, যারা পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করবেন, তারা আজ দুপুর দুইটা থেকে নির্ধারিত টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। আজ মূলত যারা তেইশে মে তারিখের রেলযাত্রার কথা ভাবছেন, তাদের জন্যই টিকিটগুলো উন্মুক্ত করা হয়েছে।
রেলওয়ের নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, আসন্ন ঈদযাত্রার এই অগ্রিম টিকিট বিক্রি কার্যক্রম আগামী কয়েক দিন পর্যন্ত চলমান থাকবে। নির্দিষ্ট দিনপঞ্জিকা অনুসারে, আগামীকাল চৌদ্দই মে তারিখে চব্বিশ মে তারিখের যাত্রার টিকিট পাওয়া যাবে। এরপর পনেরো মে মিলবে পঁচিশ তারিখের টিকিট, ষোলো মে তারিখে ছাব্বিশ তারিখের এবং সবশেষে সতেরো মে তারিখে সাতাশ মে তারিখের ভ্রমণের টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন সাধারণ মানুষ। টিকিট প্রত্যাশীদের উপচে পড়া চাপ সামলাতে এবারও বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে যাতে মানুষ ভোগান্তি ছাড়াই আসন নিশ্চিত করতে পারেন। ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করাই এই কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য।
অন্যদিকে, উৎসব শেষে কর্মস্থলে নির্বিঘ্নে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করতে ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রির তারিখও ঘোষণা করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আগামী একুশে মে থেকে শুরু হবে ফিরতি টিকিট বিক্রির তোড়জোড়। ওইদিন মূলত একত্রিশ মে তারিখের আসনগুলো বরাদ্দ দেওয়া হবে। এরপর বাইশে মে থেকে পঁচিশ মে পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে জুন মাসের এক তারিখ থেকে চার তারিখ পর্যন্ত যাত্রার ফিরতি টিকিটগুলো সংগ্রহ করা যাবে। বাড়ি ফেরার আনন্দ যেন পথেই ম্লান না হয়ে যায়, সেজন্য রেলওয়ের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও সময়ানুবর্তিতা বজায় রাখার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঈদ যাত্রার এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করতে তদারকি জোরদার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন