দিকপাল

কালবৈশাখীর ছোবলে বিপর্যস্ত কমলগঞ্জ ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক তালিকায় ১২২ বসতঘর


স্বাধীন আহমেদ
স্বাধীন আহমেদ স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ | ১০:৩২ এ এম | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

কালবৈশাখীর ছোবলে বিপর্যস্ত কমলগঞ্জ ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক তালিকায় ১২২ বসতঘর

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে পরপর দুই দিনের কালবৈশাখী ঝড়ের ভয়াবহ তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে বিস্তীর্ণ জনপদ। আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ১২২টি কাঁচা ও আধাপাকা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঝড়ের তীব্রতায় ঘরবাড়ির চাল উড়ে যাওয়ার পাশাপাশি অসংখ্য গাছপালা ও বাঁশঝাড় উপড়ে পড়ায় বহু পরিবার এখন দিশেহারা অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে চা বাগান এলাকার শ্রমিকদের ঘরবাড়ি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। এই পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে দ্রুত ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৬ এপ্রিল থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত দফায় দফায় চলা এই কালবৈশাখী ঝড় উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ওপর দিয়ে বয়ে যায়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ১২২টি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। ঝড়ের প্রচণ্ড গতির সামনে টিকে থাকতে না পেরে গ্রামীণ জনপদের অনেক কাঁচা ঘরবাড়ি মাটির সঙ্গে মিশে গেছে, যা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে চরম মানবেতর পরিস্থিতির মুখে ঠেলে দিয়েছে।

দুর্গতদের তাৎক্ষণিক সহায়তায় প্রশাসন ইতিমধ্যে ১৫ মেট্রিক টন চাল এবং ৪০ বান্ডিল ঢেউটিন বরাদ্দ দিয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) থেকেই এসব ত্রাণসামগ্রী ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে বিতরণ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। কমলগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক জানিয়েছেন, অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রকৃত তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সরকারি বরাদ্দ হাতে পাওয়ায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে তা মাঠ পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬


কালবৈশাখীর ছোবলে বিপর্যস্ত কমলগঞ্জ ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক তালিকায় ১২২ বসতঘর

প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে পরপর দুই দিনের কালবৈশাখী ঝড়ের ভয়াবহ তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে বিস্তীর্ণ জনপদ। আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ১২২টি কাঁচা ও আধাপাকা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঝড়ের তীব্রতায় ঘরবাড়ির চাল উড়ে যাওয়ার পাশাপাশি অসংখ্য গাছপালা ও বাঁশঝাড় উপড়ে পড়ায় বহু পরিবার এখন দিশেহারা অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে চা বাগান এলাকার শ্রমিকদের ঘরবাড়ি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। এই পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে দ্রুত ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৬ এপ্রিল থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত দফায় দফায় চলা এই কালবৈশাখী ঝড় উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ওপর দিয়ে বয়ে যায়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ১২২টি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। ঝড়ের প্রচণ্ড গতির সামনে টিকে থাকতে না পেরে গ্রামীণ জনপদের অনেক কাঁচা ঘরবাড়ি মাটির সঙ্গে মিশে গেছে, যা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে চরম মানবেতর পরিস্থিতির মুখে ঠেলে দিয়েছে।

দুর্গতদের তাৎক্ষণিক সহায়তায় প্রশাসন ইতিমধ্যে ১৫ মেট্রিক টন চাল এবং ৪০ বান্ডিল ঢেউটিন বরাদ্দ দিয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) থেকেই এসব ত্রাণসামগ্রী ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে বিতরণ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। কমলগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক জানিয়েছেন, অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রকৃত তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সরকারি বরাদ্দ হাতে পাওয়ায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে তা মাঠ পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল