যুদ্ধবিরতি নিয়ে চলমান আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে ইরানকে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের উদ্দেশে একটি চরম বার্তা দিয়ে তিনি বলেছেন যে, তাদের হাতে থাকা সময় এখন খুব দ্রুত শেষ হয়ে আসছে। নিজের প্রতিষ্ঠিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প স্পষ্ট করে লিখেছেন, ইরানের এখন অত্যন্ত দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, অন্যথায় তাদের আর কোনো কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সময়টাই এখন সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর বা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে একটি পূর্বনির্ধারিত ফোনালাপের ঠিক আগমুহূর্তে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে এই কড়া বার্তাটি আসে।
অন্য দিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর দাবি, বর্তমান সংঘাতের অবসান ঘটাতে তেহরানের পক্ষ থেকে সম্প্রতি যে শান্তি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, ওয়াশিংটন তার জবাবে কোনো ধরনের বড় ছাড় দিতে বা নমনীয়তা দেখাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহেরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমেরিকার এই আপসহীন ও কঠোর অবস্থানের কারণেই মূলত শান্তি আলোচনা এখন গভীর অচলাবস্থার মধ্যে পড়েছে। এর আগে গত এপ্রিল মাসের শুরুর দিকে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণার প্রাক্কালে ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেছিলেন যে, ইরান যদি চূড়ান্ত যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত না হয়, তবে পুরো একটি সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। তাঁর সাম্প্রতিক এই নতুন বার্তাতেও পূর্বের সেই চরম হুমকির প্রতিধ্বনিই স্পষ্ট ধরা পড়েছে। চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকেও তেহরানের শর্তগুলোকে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে প্রত্যাখ্যান করার পাশাপাশি চলমান এই যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়াটি বর্তমানে মৃতপ্রায় বা লাইফ সাপোর্টে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
তবে মার্কিন প্রশাসনের এমন অভিযোগ সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জোর দিয়ে বলেছেন যে, তেহরানের পক্ষ থেকে উত্থাপিত দাবিগুলো অত্যন্ত দায়িত্বশীল, যৌক্তিক ও উদার ছিল। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, তেহরানের মূল দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল সব ধরনের যুদ্ধক্ষেত্রে অবিলম্বে পুরোপুরি সামরিক সংঘাত বন্ধ করা। বিশেষ করে লেবাননে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর ওপর ইসরায়েল যে অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, সেটি বন্ধ করাই ছিল তাদের প্রধান লক্ষ্য। এর পাশাপাশি ইরানের বিভিন্ন সমুদ্রবন্দরের ওপর মার্কিন নৌবাহিনী যে কঠোর অবরোধ আরোপ করে রেখেছে তা প্রত্যাহার করা এবং ভবিষ্যতে ইরানের ওপর আর কোনো ধরনের সামরিক হামলা চালানো হবে না—এমন সুনির্দিষ্ট নিশ্চয়তাও দাবি করেছে তেহরান। একই সঙ্গে চলমান যুদ্ধে হওয়া সব ধরনের ক্ষয়ক্ষতির জন্য বিপুল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ এবং কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের একক সার্বভৌমত্বের বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
এদিকে ইরানের আরেকটি আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস রোববার এক প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছে যে, তেহরানের দেওয়া প্রস্তাবের বিপরীতে ওয়াশিংটন পাল্টা পাঁচটি কঠিন শর্ত জুড়ে দিয়েছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, এই শর্তগুলোর মধ্যে প্রধান শর্ত হলো—ইরান কেবল তাদের একটিমাত্র পারমাণবিক স্থাপনা সচল রাখতে পারবে। এ ছাড়া তাদের ভাণ্ডারে থাকা অত্যন্ত উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের পুরো মজুত অবিলম্বে আমেরিকার কাছে হস্তান্তর করতে হবে। অবশ্য গত শুক্রবার ট্রাম্প কিছুটা নরম সুর ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, ইরান যদি আগামী ২০ বছরের জন্য তাদের সমস্ত পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি স্থগিত রাখতে রাজি হয়, তবে তিনি বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন। দীর্ঘ সময় ধরে পারমাণবিক কর্মসূচি দুই দেশের মধ্যে শত্রুতার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতীতে ওয়াশিংটন সবসময় ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ ও স্থায়ীভাবে বন্ধের দাবি জানিয়ে আসলেও ট্রাম্পের সাম্প্রতিক এই বক্তব্যে তাদের আগের অবস্থান থেকে কিছুটা সরে আসার আভাস মিলছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও মার্কিন সামরিক বাহিনী যৌথভাবে ইরানের অভ্যন্তরে ব্যাপক আকারে বিমান হামলা শুরু করার পর এই অঞ্চলের পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে। পরবর্তীতে আলোচনার পথ সুগম করার স্বার্থে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়, যা মাঝেমধ্যে বিচ্ছিন্ন গোলাগুলির ঘটনা ছাড়া মোটের উপর বজায় ছিল। তবে ইরান এখনো কৌশলগত হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি তেল এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনের এই অতি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথটি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে আছে। ইরানের দাবি, মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসী হামলার প্রতিশোধ হিসেবেই তারা এই জলপথ বন্ধের পদক্ষেপ নিয়েছে। এই সংকটের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্য দিকে, তেহরানকে নিজেদের শর্ত মানতে বাধ্য করার কৌশল হিসেবে মার্কিন প্রশাসনও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর তাদের অর্থনৈতিক ও নৌ-অবরোধ কঠোরভাবে জারি রেখেছে। বর্তমানে মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তান এই দুই চিরবৈরী দেশের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে, তবে দুই পক্ষের মৌলিক দাবিগুলোর মধ্যে এখনো বিশাল ব্যবধান থাকায় স্থায়ী শান্তির বিষয়টি সুদূরপরাহত বলেই মনে হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
যুদ্ধবিরতি নিয়ে চলমান আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে ইরানকে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের উদ্দেশে একটি চরম বার্তা দিয়ে তিনি বলেছেন যে, তাদের হাতে থাকা সময় এখন খুব দ্রুত শেষ হয়ে আসছে। নিজের প্রতিষ্ঠিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প স্পষ্ট করে লিখেছেন, ইরানের এখন অত্যন্ত দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, অন্যথায় তাদের আর কোনো কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সময়টাই এখন সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর বা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে একটি পূর্বনির্ধারিত ফোনালাপের ঠিক আগমুহূর্তে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে এই কড়া বার্তাটি আসে।
অন্য দিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর দাবি, বর্তমান সংঘাতের অবসান ঘটাতে তেহরানের পক্ষ থেকে সম্প্রতি যে শান্তি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, ওয়াশিংটন তার জবাবে কোনো ধরনের বড় ছাড় দিতে বা নমনীয়তা দেখাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহেরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমেরিকার এই আপসহীন ও কঠোর অবস্থানের কারণেই মূলত শান্তি আলোচনা এখন গভীর অচলাবস্থার মধ্যে পড়েছে। এর আগে গত এপ্রিল মাসের শুরুর দিকে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণার প্রাক্কালে ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেছিলেন যে, ইরান যদি চূড়ান্ত যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত না হয়, তবে পুরো একটি সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। তাঁর সাম্প্রতিক এই নতুন বার্তাতেও পূর্বের সেই চরম হুমকির প্রতিধ্বনিই স্পষ্ট ধরা পড়েছে। চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকেও তেহরানের শর্তগুলোকে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে প্রত্যাখ্যান করার পাশাপাশি চলমান এই যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়াটি বর্তমানে মৃতপ্রায় বা লাইফ সাপোর্টে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
তবে মার্কিন প্রশাসনের এমন অভিযোগ সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জোর দিয়ে বলেছেন যে, তেহরানের পক্ষ থেকে উত্থাপিত দাবিগুলো অত্যন্ত দায়িত্বশীল, যৌক্তিক ও উদার ছিল। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, তেহরানের মূল দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল সব ধরনের যুদ্ধক্ষেত্রে অবিলম্বে পুরোপুরি সামরিক সংঘাত বন্ধ করা। বিশেষ করে লেবাননে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর ওপর ইসরায়েল যে অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, সেটি বন্ধ করাই ছিল তাদের প্রধান লক্ষ্য। এর পাশাপাশি ইরানের বিভিন্ন সমুদ্রবন্দরের ওপর মার্কিন নৌবাহিনী যে কঠোর অবরোধ আরোপ করে রেখেছে তা প্রত্যাহার করা এবং ভবিষ্যতে ইরানের ওপর আর কোনো ধরনের সামরিক হামলা চালানো হবে না—এমন সুনির্দিষ্ট নিশ্চয়তাও দাবি করেছে তেহরান। একই সঙ্গে চলমান যুদ্ধে হওয়া সব ধরনের ক্ষয়ক্ষতির জন্য বিপুল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ এবং কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের একক সার্বভৌমত্বের বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
এদিকে ইরানের আরেকটি আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস রোববার এক প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছে যে, তেহরানের দেওয়া প্রস্তাবের বিপরীতে ওয়াশিংটন পাল্টা পাঁচটি কঠিন শর্ত জুড়ে দিয়েছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, এই শর্তগুলোর মধ্যে প্রধান শর্ত হলো—ইরান কেবল তাদের একটিমাত্র পারমাণবিক স্থাপনা সচল রাখতে পারবে। এ ছাড়া তাদের ভাণ্ডারে থাকা অত্যন্ত উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের পুরো মজুত অবিলম্বে আমেরিকার কাছে হস্তান্তর করতে হবে। অবশ্য গত শুক্রবার ট্রাম্প কিছুটা নরম সুর ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, ইরান যদি আগামী ২০ বছরের জন্য তাদের সমস্ত পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি স্থগিত রাখতে রাজি হয়, তবে তিনি বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন। দীর্ঘ সময় ধরে পারমাণবিক কর্মসূচি দুই দেশের মধ্যে শত্রুতার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতীতে ওয়াশিংটন সবসময় ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ ও স্থায়ীভাবে বন্ধের দাবি জানিয়ে আসলেও ট্রাম্পের সাম্প্রতিক এই বক্তব্যে তাদের আগের অবস্থান থেকে কিছুটা সরে আসার আভাস মিলছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও মার্কিন সামরিক বাহিনী যৌথভাবে ইরানের অভ্যন্তরে ব্যাপক আকারে বিমান হামলা শুরু করার পর এই অঞ্চলের পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে। পরবর্তীতে আলোচনার পথ সুগম করার স্বার্থে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়, যা মাঝেমধ্যে বিচ্ছিন্ন গোলাগুলির ঘটনা ছাড়া মোটের উপর বজায় ছিল। তবে ইরান এখনো কৌশলগত হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি তেল এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনের এই অতি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথটি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে আছে। ইরানের দাবি, মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসী হামলার প্রতিশোধ হিসেবেই তারা এই জলপথ বন্ধের পদক্ষেপ নিয়েছে। এই সংকটের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্য দিকে, তেহরানকে নিজেদের শর্ত মানতে বাধ্য করার কৌশল হিসেবে মার্কিন প্রশাসনও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর তাদের অর্থনৈতিক ও নৌ-অবরোধ কঠোরভাবে জারি রেখেছে। বর্তমানে মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তান এই দুই চিরবৈরী দেশের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে, তবে দুই পক্ষের মৌলিক দাবিগুলোর মধ্যে এখনো বিশাল ব্যবধান থাকায় স্থায়ী শান্তির বিষয়টি সুদূরপরাহত বলেই মনে হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন