পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় অস্থিতিশীল বেলুচিস্তান প্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর সাম্প্রতিক এক ব্যাপক গোয়েন্দাভিত্তিক ও চিরুনি অভিযানে অন্তত ৩৫ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। বিপুল পরিমাণ প্রাণহানির পাশাপাশি ওই সন্ত্রাসী সংগঠনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও শীর্ষস্থানীয় তিনজন কমান্ডারকে জীবিত অবস্থায় গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। বেলুচিস্তান প্রাদেশিক সরকারের পক্ষ থেকে এই সাফল্যের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
রোববার প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাহিদ রিন্দ এক জরুরি সরকারি বিবৃতিতে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করে জানান, কোয়েটা শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত অত্যন্ত দুর্গম ও পাহাড়ি এলাকা মাঙ্গলা জারগুন গার অঞ্চলে গত ১৩ মে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা এই সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ অভিযানটি শুরু করেন। অত্যন্ত সুপরিকল্পিত এই অভিযানটি টানা চার দিন ধরে অত্যন্ত তীব্রতার সাথে পরিচালিত হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, অত্যন্ত সফল এই অভিযানের মাধ্যমে দেশের চৌকস নিরাপত্তা বাহিনী ওই অঞ্চলে গড়ে ওঠা সন্ত্রাসীদের বহু গোপন আস্তানা, প্রশিক্ষণ ক্যাম্প এবং অস্ত্রাগার মাটির সাথে গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। একই সাথে সেখান থেকে তিন শীর্ষ কমান্ডারকে পাকড়াও করা হয়েছে, যাদের জিজ্ঞাসাবাদে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রাদেশিক রাজধানী কোয়েটাসহ সমগ্র বেলুচিস্তান প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় গত কয়েক দিন ধরে উপর্যুপরি সহিংসতা, বোমা বিস্ফোরণ এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের প্রেক্ষাপটে সরকারের পক্ষ থেকে এই বড় ধরনের সামরিক সাফল্যের ঘোষণা এলো। চলতি মাসের শুরুর দিকে কোয়েটা শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত স্থানে আকস্মিক রকেট হামলার ঘটনা ঘটে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ধারণা, শহরের চারপাশ ঘিরে থাকা দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের গোপন আস্তানা থেকে মূলত এই কাপুরুষোচিত রকেট হামলাগুলো চালানো হয়েছিল। সম্প্রতি এক উচ্চপর্যায়ের সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক ইমরান শওকত স্পষ্ট করে বলেছেন যে, কোয়েটা শহরটি বর্তমানে নানামুখী অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা হুমকির মুখে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সর্বোচ্চ কঠোর ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
গত সপ্তাহে প্রদেশের মাসতুং জেলার শেখ ওয়াসিল এলাকায় একটি কৌশলগত রেল ও সড়ক সেতু শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়ার পর কোয়েটা থেকে তাফতান অভিমুখী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে সব ধরনের যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় একই সময়ে একদল অজ্ঞাতপরিচয় সশস্ত্র দুর্বৃত্ত প্রতিবেশী রাষ্ট্র ইরান থেকে আসা বেশ কয়েকটি পণ্যবাহী ট্রাকে পেট্রোল বোমা ছুড়ে অগ্নিসংযোগ করে সম্পূর্ণ পুড়িয়ে দেয়। এই সামগ্রিক পরিস্থিতির আলোকে প্রাদেশিক সরকারের মুখপাত্র দৃঢ়তার সাথে জানিয়েছেন যে, সন্ত্রাসী এবং তাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগীদের বিরুদ্ধে চলমান এই বিশেষ অভিযান আরও জোরদার করা হচ্ছে এবং প্রদেশ থেকে সন্ত্রাসবাদ পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান কোনো অবস্থাতেই বন্ধ হবে না।
এর আগে উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে রোববার পুরো প্রদেশ জুড়ে জরুরি ভিত্তিতে ১৪৪ ধারা জারি করে প্রাদেশিক প্রশাসন। এই বিশেষ আদেশের আওতায় জনসমক্ষে সব ধরনের অস্ত্র প্রদর্শন ও বহন করা, মোটরসাইকেলে চালক ব্যতীত অন্য কোনো আরোহী নেওয়া বা ডাবল রাইডিং করা, ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিক গাড়িতে কালো কাচ ব্যবহার করা, নিবন্ধনবিহীন মোটরসাইকেল চালানো এবং একই স্থানে পাঁচজন বা তার বেশি মানুষের যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত জমায়েত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
প্রদেশের স্বরাষ্ট্র বিভাগ থেকে জারি করা ওই প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে যে, জনসমক্ষে বা রাস্তায় চলাচলের সময় কোনো নাগরিক মাস্ক, মাফলার কিংবা পরিচয় গোপন করার মতো অন্য যেকোনো উপায়ে মুখ ঢেকে রাখতে পারবেন না, এটিও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর ১৪৪ ধারার আওতায় জারি করা এই বিশেষ সরকারি আদেশটি তাৎক্ষণিকভাবে পুরো প্রদেশে কার্যকর করা হয়েছে এবং আগামী ৩০ দিন পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে বহাল থাকবে। প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয় যে, প্রদেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং বড় ধরনের অপ্রীতিকর নাশকতার ঘটনা এড়াতেই এই সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করতে বাধ্য হয়েছে সরকার।
অতিরিক্ত প্রধান সচিবের বিশেষ অনুমোদনে এই প্রজ্ঞাপন জারি করার পাশাপাশি প্রদেশের সব বিভাগীয় কমিশনার, ডেপুটি কমিশনার, পুলিশ কর্মকর্তা এবং ফ্রন্টিয়ার কোরের মতো আধা-সামরিক বাহিনীকে এই আদেশ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বেলুচিস্তান সরকারের স্বরাষ্ট্রবিষয়ক বিশেষ সহকারী বাবর ইউসুফজাই এই বিষয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, ১৪৪ ধারা জারির পর আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, ‘ফিতনা আল খাওয়ারিজ’ এবং ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’ নামে পরিচিত ও চিহ্নিত চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলোর সম্ভাব্য নাশকতামূলক তৎপরতা ও হামলা নস্যাৎ করতে দেশের সশস্ত্র ও নিরাপত্তা বাহিনী বর্তমানে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। উল্লেখ্য, পাকিস্তান সরকার আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান তথা টিটিপি এবং বেলুচিস্তানের স্বাধীনতার নামে সক্রিয় সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে সাধারণত এই বিশেষ নামগুলোতে অভিহিত করে থাকে।

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় অস্থিতিশীল বেলুচিস্তান প্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর সাম্প্রতিক এক ব্যাপক গোয়েন্দাভিত্তিক ও চিরুনি অভিযানে অন্তত ৩৫ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। বিপুল পরিমাণ প্রাণহানির পাশাপাশি ওই সন্ত্রাসী সংগঠনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও শীর্ষস্থানীয় তিনজন কমান্ডারকে জীবিত অবস্থায় গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। বেলুচিস্তান প্রাদেশিক সরকারের পক্ষ থেকে এই সাফল্যের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
রোববার প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাহিদ রিন্দ এক জরুরি সরকারি বিবৃতিতে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করে জানান, কোয়েটা শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত অত্যন্ত দুর্গম ও পাহাড়ি এলাকা মাঙ্গলা জারগুন গার অঞ্চলে গত ১৩ মে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা এই সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ অভিযানটি শুরু করেন। অত্যন্ত সুপরিকল্পিত এই অভিযানটি টানা চার দিন ধরে অত্যন্ত তীব্রতার সাথে পরিচালিত হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, অত্যন্ত সফল এই অভিযানের মাধ্যমে দেশের চৌকস নিরাপত্তা বাহিনী ওই অঞ্চলে গড়ে ওঠা সন্ত্রাসীদের বহু গোপন আস্তানা, প্রশিক্ষণ ক্যাম্প এবং অস্ত্রাগার মাটির সাথে গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। একই সাথে সেখান থেকে তিন শীর্ষ কমান্ডারকে পাকড়াও করা হয়েছে, যাদের জিজ্ঞাসাবাদে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রাদেশিক রাজধানী কোয়েটাসহ সমগ্র বেলুচিস্তান প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় গত কয়েক দিন ধরে উপর্যুপরি সহিংসতা, বোমা বিস্ফোরণ এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের প্রেক্ষাপটে সরকারের পক্ষ থেকে এই বড় ধরনের সামরিক সাফল্যের ঘোষণা এলো। চলতি মাসের শুরুর দিকে কোয়েটা শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত স্থানে আকস্মিক রকেট হামলার ঘটনা ঘটে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ধারণা, শহরের চারপাশ ঘিরে থাকা দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের গোপন আস্তানা থেকে মূলত এই কাপুরুষোচিত রকেট হামলাগুলো চালানো হয়েছিল। সম্প্রতি এক উচ্চপর্যায়ের সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক ইমরান শওকত স্পষ্ট করে বলেছেন যে, কোয়েটা শহরটি বর্তমানে নানামুখী অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা হুমকির মুখে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সর্বোচ্চ কঠোর ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
গত সপ্তাহে প্রদেশের মাসতুং জেলার শেখ ওয়াসিল এলাকায় একটি কৌশলগত রেল ও সড়ক সেতু শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়ার পর কোয়েটা থেকে তাফতান অভিমুখী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে সব ধরনের যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় একই সময়ে একদল অজ্ঞাতপরিচয় সশস্ত্র দুর্বৃত্ত প্রতিবেশী রাষ্ট্র ইরান থেকে আসা বেশ কয়েকটি পণ্যবাহী ট্রাকে পেট্রোল বোমা ছুড়ে অগ্নিসংযোগ করে সম্পূর্ণ পুড়িয়ে দেয়। এই সামগ্রিক পরিস্থিতির আলোকে প্রাদেশিক সরকারের মুখপাত্র দৃঢ়তার সাথে জানিয়েছেন যে, সন্ত্রাসী এবং তাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগীদের বিরুদ্ধে চলমান এই বিশেষ অভিযান আরও জোরদার করা হচ্ছে এবং প্রদেশ থেকে সন্ত্রাসবাদ পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান কোনো অবস্থাতেই বন্ধ হবে না।
এর আগে উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে রোববার পুরো প্রদেশ জুড়ে জরুরি ভিত্তিতে ১৪৪ ধারা জারি করে প্রাদেশিক প্রশাসন। এই বিশেষ আদেশের আওতায় জনসমক্ষে সব ধরনের অস্ত্র প্রদর্শন ও বহন করা, মোটরসাইকেলে চালক ব্যতীত অন্য কোনো আরোহী নেওয়া বা ডাবল রাইডিং করা, ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিক গাড়িতে কালো কাচ ব্যবহার করা, নিবন্ধনবিহীন মোটরসাইকেল চালানো এবং একই স্থানে পাঁচজন বা তার বেশি মানুষের যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত জমায়েত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
প্রদেশের স্বরাষ্ট্র বিভাগ থেকে জারি করা ওই প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে যে, জনসমক্ষে বা রাস্তায় চলাচলের সময় কোনো নাগরিক মাস্ক, মাফলার কিংবা পরিচয় গোপন করার মতো অন্য যেকোনো উপায়ে মুখ ঢেকে রাখতে পারবেন না, এটিও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর ১৪৪ ধারার আওতায় জারি করা এই বিশেষ সরকারি আদেশটি তাৎক্ষণিকভাবে পুরো প্রদেশে কার্যকর করা হয়েছে এবং আগামী ৩০ দিন পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে বহাল থাকবে। প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয় যে, প্রদেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং বড় ধরনের অপ্রীতিকর নাশকতার ঘটনা এড়াতেই এই সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করতে বাধ্য হয়েছে সরকার।
অতিরিক্ত প্রধান সচিবের বিশেষ অনুমোদনে এই প্রজ্ঞাপন জারি করার পাশাপাশি প্রদেশের সব বিভাগীয় কমিশনার, ডেপুটি কমিশনার, পুলিশ কর্মকর্তা এবং ফ্রন্টিয়ার কোরের মতো আধা-সামরিক বাহিনীকে এই আদেশ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বেলুচিস্তান সরকারের স্বরাষ্ট্রবিষয়ক বিশেষ সহকারী বাবর ইউসুফজাই এই বিষয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, ১৪৪ ধারা জারির পর আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, ‘ফিতনা আল খাওয়ারিজ’ এবং ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’ নামে পরিচিত ও চিহ্নিত চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলোর সম্ভাব্য নাশকতামূলক তৎপরতা ও হামলা নস্যাৎ করতে দেশের সশস্ত্র ও নিরাপত্তা বাহিনী বর্তমানে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। উল্লেখ্য, পাকিস্তান সরকার আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান তথা টিটিপি এবং বেলুচিস্তানের স্বাধীনতার নামে সক্রিয় সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে সাধারণত এই বিশেষ নামগুলোতে অভিহিত করে থাকে।

আপনার মতামত লিখুন