স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, দেশে হামের সংক্রমণ ও প্রাণহানি এক উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এবং উপসর্গ নিয়ে আরও ৭টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ৬ জনই ঢাকা বিভাগের। অন্য একটি শিশু মারা গেছে সিলেট বিভাগে। সরকারি হিসাব মতে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ৪২ জন এবং উপসর্গ নিয়ে আরও ১৯৮ জন শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে। অর্থাৎ গত কয়েক সপ্তাহেই এই ভাইরাসের প্রকোপে মোট ২৪০টি শিশু প্রাণ হারাল।
বর্তমানে সংক্রমণের চিত্রটিও বেশ ভয়াবহ। গত একদিনেই সারা দেশে ১ হাজার ২১৫টি শিশুর শরীরে হামের লক্ষণ দেখা দিয়েছে এবং এর মধ্যে ৮৬০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা বিভাগে সংক্রমণের চাপ সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে; গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হওয়া শিশুদের মধ্যে ৩৬৩ জনই এই বিভাগের বাসিন্দা। তবে এরই মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য। গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৯৯ জন শিশু হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে, যার একটি বড় অংশই ঢাকার।
দীর্ঘমেয়াদী পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ২৯ হাজার ৫৪৯টি শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ১৯ হাজার ৭০৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে এবং ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় ৪ হাজার ২৩১ জনের শরীরে সরাসরি হামের অস্তিত্ব নিশ্চিত হওয়া গেছে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত চিকিৎসা শেষে ১৬ হাজার ৫২৭ জন শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। সংক্রমণের এই ঊর্ধ্বগতি সাধারণ মানুষের মধ্যে যেমন আতঙ্ক বাড়াচ্ছে, তেমনি স্বাস্থ্য খাতের ওপরও তৈরি করছে বাড়তি চাপ।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, দেশে হামের সংক্রমণ ও প্রাণহানি এক উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এবং উপসর্গ নিয়ে আরও ৭টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ৬ জনই ঢাকা বিভাগের। অন্য একটি শিশু মারা গেছে সিলেট বিভাগে। সরকারি হিসাব মতে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ৪২ জন এবং উপসর্গ নিয়ে আরও ১৯৮ জন শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে। অর্থাৎ গত কয়েক সপ্তাহেই এই ভাইরাসের প্রকোপে মোট ২৪০টি শিশু প্রাণ হারাল।
বর্তমানে সংক্রমণের চিত্রটিও বেশ ভয়াবহ। গত একদিনেই সারা দেশে ১ হাজার ২১৫টি শিশুর শরীরে হামের লক্ষণ দেখা দিয়েছে এবং এর মধ্যে ৮৬০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা বিভাগে সংক্রমণের চাপ সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে; গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হওয়া শিশুদের মধ্যে ৩৬৩ জনই এই বিভাগের বাসিন্দা। তবে এরই মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য। গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৯৯ জন শিশু হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে, যার একটি বড় অংশই ঢাকার।
দীর্ঘমেয়াদী পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ২৯ হাজার ৫৪৯টি শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ১৯ হাজার ৭০৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে এবং ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় ৪ হাজার ২৩১ জনের শরীরে সরাসরি হামের অস্তিত্ব নিশ্চিত হওয়া গেছে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত চিকিৎসা শেষে ১৬ হাজার ৫২৭ জন শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। সংক্রমণের এই ঊর্ধ্বগতি সাধারণ মানুষের মধ্যে যেমন আতঙ্ক বাড়াচ্ছে, তেমনি স্বাস্থ্য খাতের ওপরও তৈরি করছে বাড়তি চাপ।

আপনার মতামত লিখুন