মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্যমান অস্থিরতার মধ্যেই কুয়েতের নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে নতুন করে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। আল-জাজিরার বরাত দিয়ে জানা গেছে, এবার প্রতিবেশী রাষ্ট্র ইরাকের ভূখণ্ড থেকে উৎক্ষেপণ করা ড্রোন কুয়েতের উত্তর সীমান্তের সেনা পোস্টগুলোকে লক্ষ্য করে আঘাত হেনেছে। কুয়েতি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, শুক্রবার সকালে বিস্ফোরক বোঝাই দুটি ড্রোন ফাইবার-অপটিক কেবল প্রযুক্তির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়ে সরাসরি সীমান্ত পোস্টে আছড়ে পড়ে। এই হামলায় স্থাপনার বেশ কিছু ক্ষয়ক্ষতি হলেও সৌভাগ্যবশত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।
কুয়েত এই ঘটনাকে স্রেফ একটি আক্রমণ নয়, বরং সরাসরি 'অপরাধমূলক আগ্রাসন' হিসেবে অভিহিত করেছে। সামরিক বাহিনীর তদন্তে উঠে এসেছে যে, ড্রোন দুটি ইরাক থেকেই সীমান্ত অতিক্রম করে কুয়েতে প্রবেশ করেছিল। মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির পর থেকেই কুয়েত দাবি করে আসছে যে, সাম্প্রতিক সময়ে ইরাকভিত্তিক ইরান-সমর্থিত বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো থেকে তারা ক্রমাগত হুমকির মুখে রয়েছে। এর আগেও দেশটির বিমানবন্দর, গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আলি আল সালেম বিমান ঘাঁটির মতো স্পর্শকাতর স্থানে শত শত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটি। এবারের ড্রোন হামলা সেই ধারাবাহিক অস্থিরতারই নতুন এক মাত্রা যোগ করল, যা পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তুলেছে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্যমান অস্থিরতার মধ্যেই কুয়েতের নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে নতুন করে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। আল-জাজিরার বরাত দিয়ে জানা গেছে, এবার প্রতিবেশী রাষ্ট্র ইরাকের ভূখণ্ড থেকে উৎক্ষেপণ করা ড্রোন কুয়েতের উত্তর সীমান্তের সেনা পোস্টগুলোকে লক্ষ্য করে আঘাত হেনেছে। কুয়েতি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, শুক্রবার সকালে বিস্ফোরক বোঝাই দুটি ড্রোন ফাইবার-অপটিক কেবল প্রযুক্তির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়ে সরাসরি সীমান্ত পোস্টে আছড়ে পড়ে। এই হামলায় স্থাপনার বেশ কিছু ক্ষয়ক্ষতি হলেও সৌভাগ্যবশত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।
কুয়েত এই ঘটনাকে স্রেফ একটি আক্রমণ নয়, বরং সরাসরি 'অপরাধমূলক আগ্রাসন' হিসেবে অভিহিত করেছে। সামরিক বাহিনীর তদন্তে উঠে এসেছে যে, ড্রোন দুটি ইরাক থেকেই সীমান্ত অতিক্রম করে কুয়েতে প্রবেশ করেছিল। মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির পর থেকেই কুয়েত দাবি করে আসছে যে, সাম্প্রতিক সময়ে ইরাকভিত্তিক ইরান-সমর্থিত বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো থেকে তারা ক্রমাগত হুমকির মুখে রয়েছে। এর আগেও দেশটির বিমানবন্দর, গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আলি আল সালেম বিমান ঘাঁটির মতো স্পর্শকাতর স্থানে শত শত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটি। এবারের ড্রোন হামলা সেই ধারাবাহিক অস্থিরতারই নতুন এক মাত্রা যোগ করল, যা পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তুলেছে।

আপনার মতামত লিখুন