দেশজুড়ে তীব্র গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে বাড়ছে হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। চিকিৎসকরা বলছেন, তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে শরীর তার স্বাভাবিক তাপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা হারায়—ফলে দেখা দেয় হিটস্ট্রোক, যা সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে প্রাণঘাতী হতে পারে।
হিটস্ট্রোক এমন একটি অবস্থা, যখন শরীর আর নিজেকে ঠান্ডা রাখতে পারে না। সাধারণত শরীর ঘামের মাধ্যমে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু এই অবস্থায় ঘাম কার্যকর হয় না। অল্প সময়ের মধ্যেই শরীরের তাপমাত্রা ১০৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা তারও বেশি পৌঁছাতে পারে। দ্রুত চিকিৎসা না পেলে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কয়েকটি কারণে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়—
হিটস্ট্রোকের লক্ষণ দ্রুত চিহ্নিত করা জরুরি। সাধারণ লক্ষণগুলো হলো—
হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত কাউকে দেখলে দ্রুত কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে—
চিকিৎসকরা হিটস্ট্রোক প্রতিরোধে কিছু সহজ পরামর্শ দিয়েছেন—
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সচেতনতা ও দ্রুত পদক্ষেপই পারে তাপপ্রবাহজনিত এই নীরব ঘাতক থেকে জীবন রক্ষা করতে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
দেশজুড়ে তীব্র গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে বাড়ছে হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। চিকিৎসকরা বলছেন, তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে শরীর তার স্বাভাবিক তাপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা হারায়—ফলে দেখা দেয় হিটস্ট্রোক, যা সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে প্রাণঘাতী হতে পারে।
হিটস্ট্রোক এমন একটি অবস্থা, যখন শরীর আর নিজেকে ঠান্ডা রাখতে পারে না। সাধারণত শরীর ঘামের মাধ্যমে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু এই অবস্থায় ঘাম কার্যকর হয় না। অল্প সময়ের মধ্যেই শরীরের তাপমাত্রা ১০৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা তারও বেশি পৌঁছাতে পারে। দ্রুত চিকিৎসা না পেলে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কয়েকটি কারণে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়—
হিটস্ট্রোকের লক্ষণ দ্রুত চিহ্নিত করা জরুরি। সাধারণ লক্ষণগুলো হলো—
হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত কাউকে দেখলে দ্রুত কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে—
চিকিৎসকরা হিটস্ট্রোক প্রতিরোধে কিছু সহজ পরামর্শ দিয়েছেন—
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সচেতনতা ও দ্রুত পদক্ষেপই পারে তাপপ্রবাহজনিত এই নীরব ঘাতক থেকে জীবন রক্ষা করতে।

আপনার মতামত লিখুন