দিকপাল

কঙ্গো-উগান্ডায় ইবোলার ভয়াবহ থাবা, প্রাণ গেল ৮০ জনের


স্বাধীন আহমেদ
স্বাধীন আহমেদ স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : রবিবার, ১৭ মে ২০২৬ | ১১:১৯ এ এম | প্রিন্ট সংস্করণ

কঙ্গো-উগান্ডায় ইবোলার ভয়াবহ থাবা, প্রাণ গেল ৮০ জনের

আফ্রিকার শীর্ষ জনস্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থা আফ্রিকা সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন বা আফ্রিকা সিডিসি কঙ্গোর গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি প্রদেশে নতুন করে মারাত্মক ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কথা ঘোষণা করেছে। সংস্থাটির পক্ষ থেকে দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই অঞ্চলের খনি সমৃদ্ধ এলাকাগুলোতে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসে এখন পর্যন্ত প্রায় দুইশত ছেচল্লিশ জন মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এবং এর মধ্যে অন্তত আশি জন রোগীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত ও মৃতদের একটি বড় অংশই ওই অঞ্চলের স্বর্ণখনি অধ্যুষিত মঙ্গওয়ালু এবং রওয়াম্পারা শহরের বাসিন্দা হওয়ায় পরিস্থিতি আরও বেশি জটিল রূপ ধারণ করেছে। আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থাগুলোর প্রতিবেদন থেকে এই ভয়াবহ স্বাস্থ্য সংকটের খবর জানা গেছে।

কঙ্গোর এই অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্য বিপর্যয় এখন আর দেশটির সীমান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতেও ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে। উগান্ডার সরকারি কর্মকর্তারা শুক্রবার নিশ্চিত করেছেন যে, কঙ্গো থেকে আসা একজন ইবোলা আক্রান্ত রোগীকে তাদের দেশে শনাক্ত করা হয়েছে। উগান্ডার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উনষাট বছর বয়সী এক ব্যক্তি বৃহস্পতিবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এবং পরবর্তী সময়ে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় তাঁর শরীরে প্রাণঘাতী ইবোলা ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া যায়। এই ঘটনার পর উগান্ডা সীমান্তে বাড়তি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, ১৯৭৬ সালে বর্তমান কঙ্গো অঞ্চলেই পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম বারের মতো ইবোলা ভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছিল। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের ধারণা, বন্য বাদুড় থেকে এই অতি সংক্রামক ভাইরাসটি প্রথম মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। কঙ্গোর ইতিহাসে এটি হচ্ছে ইবোলার ১৭তম প্রাদুর্ভাব। আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের যে কোনো ধরনের তরল পদার্থ যেমন—রক্ত, লালা বা ঘামের সরাসরি সংস্পর্শ এবং চামড়ার ক্ষতস্থানের মাধ্যমে এই ভাইরাস অত্যন্ত দ্রুততার সাথে একজনের শরীর থেকে অন্যজনের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। এই রোগে আক্রান্ত হলে রোগীর শরীরের ভেতরে ও বাইরে তীব্র রক্তক্ষরণ শুরু হয় এবং শেষ পর্যায়ে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলো বিকল হয়ে মানুষের মৃত্যু ঘটে।

সাধারণত এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে রোগীর শরীরে তীব্র জ্বর, মাংসপেশিতে প্রচণ্ড ব্যথা, চরম ক্লান্তি, মাথাব্যথা এবং গলাব্যথা দেখা দেয়। রোগটি শরীরে জেঁকে বসার পর বমি, পাতলা পায়খানা বা ডায়রিয়া, চামড়ায় লালচে ফুসকুড়ি বা র‍্যাশ এবং একপর্যায়ে শরীরের বিভিন্ন অংশ দিয়ে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় হলো, চিকিৎসার আধুনিক যুগেও ইবোলার এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট বা স্থায়ী প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই রোগে আক্রান্তদের গড়ে প্রায় পঞ্চাশ শতাংশেরই মৃত্যু হয়ে থাকে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত হুমকিস্বরূপ।

আফ্রিকা সিডিসি আরও বিস্তারিত জানিয়ে বলেছে যে, কঙ্গোতে এ পর্যন্ত মারা যাওয়া আশি জনের মধ্যে চারজন রোগীর ল্যাবরেটরি পরীক্ষার ফল শতভাগ নিশ্চিত হওয়া গেছে। এছাড়া ইতুরির প্রাদেশিক রাজধানী বুনিয়াতেও বেশ কিছু মানুষের শরীরে এই ভাইরাসের সন্দেহভাজন উপসর্গ দেখা গেছে, যেগুলোর চূড়ান্ত ল্যাবরেটরি পরীক্ষার ফলাফল এখনো আসার বাকি রয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, রওয়াম্পারা ও বুনিয়ার মতো ঘনবসতিপূর্ণ শহুরে এলাকা এবং মঙ্গওয়ালুর মতো খনিশিল্প অঞ্চলের কারণে এই ছোঁয়াচে রোগটি সাধারণ মানুষের মধ্যে খুব দ্রুত আরও বড় আকারে ছড়িয়ে পড়ার এক ভয়াবহ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

কঙ্গো সরকার এখনো তাদের দেশের এই পরিস্থিতি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো জাতীয় মহামারি বা প্রাদুর্ভাবের ঘোষণা না দিলেও আফ্রিকা সিডিসি বসে নেই। তারা কঙ্গো, উগান্ডা, দক্ষিণ সুদান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চিকিৎসা সহযোগী অংশীদারদের নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শুরু করেছে। এই বৈঠকগুলোতে কীভাবে ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা যায় এবং আন্তর্জাতিক সীমান্তগুলোতে কঠোর নজরদারি ও স্ক্রিনিং ব্যবস্থা জোরদার করা যায়, সে বিষয়ে বিস্তর আলোচনা ও কর্মপরিকল্পনা তৈরি হচ্ছে।

গত পাঁচ দশকে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে ইবোলা ভাইরাসের করাল গ্রাসে প্রায় পনেরো হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। কঙ্গোর ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ ইবোলা প্রাদুর্ভাবের ঘটনা ঘটেছিল ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যবর্তী সময়ে, যখন এই ভাইরাসের আক্রমণে প্রায় দুই হাজার তিনশত মানুষ মারা গিয়েছিলেন। এছাড়া গত বছরও দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় কাসাই প্রদেশের বুলাপে অঞ্চলে ইবোলার আরেকটি ছোটখাটো প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছিল, যেখানে ৪৫ জন মানুষের মৃত্যু হয়। বর্তমান পরিস্থিতি যদি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা না যায়, তবে এটি আফ্রিকার জন্য আরও একটি বড় মানবিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

রোববার, ১৭ মে ২০২৬


কঙ্গো-উগান্ডায় ইবোলার ভয়াবহ থাবা, প্রাণ গেল ৮০ জনের

প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬

featured Image

আফ্রিকার শীর্ষ জনস্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থা আফ্রিকা সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন বা আফ্রিকা সিডিসি কঙ্গোর গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি প্রদেশে নতুন করে মারাত্মক ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কথা ঘোষণা করেছে। সংস্থাটির পক্ষ থেকে দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই অঞ্চলের খনি সমৃদ্ধ এলাকাগুলোতে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসে এখন পর্যন্ত প্রায় দুইশত ছেচল্লিশ জন মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এবং এর মধ্যে অন্তত আশি জন রোগীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত ও মৃতদের একটি বড় অংশই ওই অঞ্চলের স্বর্ণখনি অধ্যুষিত মঙ্গওয়ালু এবং রওয়াম্পারা শহরের বাসিন্দা হওয়ায় পরিস্থিতি আরও বেশি জটিল রূপ ধারণ করেছে। আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থাগুলোর প্রতিবেদন থেকে এই ভয়াবহ স্বাস্থ্য সংকটের খবর জানা গেছে।

কঙ্গোর এই অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্য বিপর্যয় এখন আর দেশটির সীমান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতেও ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে। উগান্ডার সরকারি কর্মকর্তারা শুক্রবার নিশ্চিত করেছেন যে, কঙ্গো থেকে আসা একজন ইবোলা আক্রান্ত রোগীকে তাদের দেশে শনাক্ত করা হয়েছে। উগান্ডার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উনষাট বছর বয়সী এক ব্যক্তি বৃহস্পতিবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এবং পরবর্তী সময়ে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় তাঁর শরীরে প্রাণঘাতী ইবোলা ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া যায়। এই ঘটনার পর উগান্ডা সীমান্তে বাড়তি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, ১৯৭৬ সালে বর্তমান কঙ্গো অঞ্চলেই পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম বারের মতো ইবোলা ভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছিল। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের ধারণা, বন্য বাদুড় থেকে এই অতি সংক্রামক ভাইরাসটি প্রথম মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। কঙ্গোর ইতিহাসে এটি হচ্ছে ইবোলার ১৭তম প্রাদুর্ভাব। আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের যে কোনো ধরনের তরল পদার্থ যেমন—রক্ত, লালা বা ঘামের সরাসরি সংস্পর্শ এবং চামড়ার ক্ষতস্থানের মাধ্যমে এই ভাইরাস অত্যন্ত দ্রুততার সাথে একজনের শরীর থেকে অন্যজনের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। এই রোগে আক্রান্ত হলে রোগীর শরীরের ভেতরে ও বাইরে তীব্র রক্তক্ষরণ শুরু হয় এবং শেষ পর্যায়ে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলো বিকল হয়ে মানুষের মৃত্যু ঘটে।

সাধারণত এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে রোগীর শরীরে তীব্র জ্বর, মাংসপেশিতে প্রচণ্ড ব্যথা, চরম ক্লান্তি, মাথাব্যথা এবং গলাব্যথা দেখা দেয়। রোগটি শরীরে জেঁকে বসার পর বমি, পাতলা পায়খানা বা ডায়রিয়া, চামড়ায় লালচে ফুসকুড়ি বা র‍্যাশ এবং একপর্যায়ে শরীরের বিভিন্ন অংশ দিয়ে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় হলো, চিকিৎসার আধুনিক যুগেও ইবোলার এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট বা স্থায়ী প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই রোগে আক্রান্তদের গড়ে প্রায় পঞ্চাশ শতাংশেরই মৃত্যু হয়ে থাকে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত হুমকিস্বরূপ।

আফ্রিকা সিডিসি আরও বিস্তারিত জানিয়ে বলেছে যে, কঙ্গোতে এ পর্যন্ত মারা যাওয়া আশি জনের মধ্যে চারজন রোগীর ল্যাবরেটরি পরীক্ষার ফল শতভাগ নিশ্চিত হওয়া গেছে। এছাড়া ইতুরির প্রাদেশিক রাজধানী বুনিয়াতেও বেশ কিছু মানুষের শরীরে এই ভাইরাসের সন্দেহভাজন উপসর্গ দেখা গেছে, যেগুলোর চূড়ান্ত ল্যাবরেটরি পরীক্ষার ফলাফল এখনো আসার বাকি রয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, রওয়াম্পারা ও বুনিয়ার মতো ঘনবসতিপূর্ণ শহুরে এলাকা এবং মঙ্গওয়ালুর মতো খনিশিল্প অঞ্চলের কারণে এই ছোঁয়াচে রোগটি সাধারণ মানুষের মধ্যে খুব দ্রুত আরও বড় আকারে ছড়িয়ে পড়ার এক ভয়াবহ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

কঙ্গো সরকার এখনো তাদের দেশের এই পরিস্থিতি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো জাতীয় মহামারি বা প্রাদুর্ভাবের ঘোষণা না দিলেও আফ্রিকা সিডিসি বসে নেই। তারা কঙ্গো, উগান্ডা, দক্ষিণ সুদান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চিকিৎসা সহযোগী অংশীদারদের নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শুরু করেছে। এই বৈঠকগুলোতে কীভাবে ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা যায় এবং আন্তর্জাতিক সীমান্তগুলোতে কঠোর নজরদারি ও স্ক্রিনিং ব্যবস্থা জোরদার করা যায়, সে বিষয়ে বিস্তর আলোচনা ও কর্মপরিকল্পনা তৈরি হচ্ছে।

গত পাঁচ দশকে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে ইবোলা ভাইরাসের করাল গ্রাসে প্রায় পনেরো হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। কঙ্গোর ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ ইবোলা প্রাদুর্ভাবের ঘটনা ঘটেছিল ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যবর্তী সময়ে, যখন এই ভাইরাসের আক্রমণে প্রায় দুই হাজার তিনশত মানুষ মারা গিয়েছিলেন। এছাড়া গত বছরও দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় কাসাই প্রদেশের বুলাপে অঞ্চলে ইবোলার আরেকটি ছোটখাটো প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছিল, যেখানে ৪৫ জন মানুষের মৃত্যু হয়। বর্তমান পরিস্থিতি যদি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা না যায়, তবে এটি আফ্রিকার জন্য আরও একটি বড় মানবিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।



দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল